আত্মীকরণ শক্তি কাকে বলে?
ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় ATP উৎপন্ন হয় এবং ইলেকট্রন NADP-কে বিজারিত করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে। ATP এবং ADPH+H+ কে আত্মীকরণ শক্তি বলে।
ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় ATP উৎপন্ন হয় এবং ইলেকট্রন NADP-কে বিজারিত করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে। ATP এবং ADPH+H+ কে আত্মীকরণ শক্তি বলে।
মানবদেহ ও বিভিন্ন প্রাণীর দেহ থেকে নিঃসৃত রস যা দেহের বিভিন্ন শারীবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে তাই হরমোন।
আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যাওয়াই হলো সরল গলগণ্ড।
যেসব বস্তু খাওয়ার পর দেহে শোষিত হয়ে বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে তাদের বলা হয় খাদ্য।
যে খাদ্যে ৬টি উপাদানই গুণাগুণ অনুসারে উপযুক্ত পরিমাণে থাকে এবং যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালরি পাওয়া যায়, তাকে ব্যালান্সড ডায়েট বলে।
অক্সিজেন সহযোগে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে শক্তি ও CO2 উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াই শ্বসন। যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহের খাদ্যবস্তুকে বায়ুর অক্সিজেনের সাথে জারিত করে মজুদ শক্তিকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নিষ্কাশন করে তাকে শ্বসন বলে। দেহের প্রধান শ্বসন অঙ্গ হলো ফুসফুস। শ্বসনের সরল বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ- C6H12O6 + 6O2 → 6CO2 + 6H2O + শক্তি (ATP)
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পৌষ্টিক নালির ভেতরে জটিল খাদ্য নির্দিষ্ট এনজাইমের ক্রিয়ায় বিশ্লেষিত হয়ে শোষণযোগ্য খাদ্যসারে পরিণত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো পরিপাক। আরো পড়ুনঃ
এক কিলোগ্রাম পানি ওজন ১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ১ খাদ্য ক্যালরি বলে।