ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক কি?
উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গে ফুলের পাঁচটি অংশ থাকতে পারে। যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক। এর মধ্যে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে। এজন্য এই স্তবকদ্বয়কে ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে।
উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গে ফুলের পাঁচটি অংশ থাকতে পারে। যথা- পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক। এর মধ্যে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক সরাসরি জনন কাজে অংশগ্রহণ করে। এজন্য এই স্তবকদ্বয়কে ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবক বলে।
তাপ ও চাপের উপর নির্ভর করে পদার্থ যে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় বিরাজ করে তাকে পদার্থের অবস্থা বলে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ধাতব মুদ্রা (Coin) পাওয়া যায়। আবার কেউ বা প্রাচীন কালের পুরান ধাতব মুদ্রা সংগ্রহ করেও মজা পায়। পুরান মুদ্রার ওপর অনেক সময় ময়লা জমে গিয়ে এর আসল বর্ণ পরিবর্তন করে ফেলে। একে পলিশ ক্রিম দ্বারা … Read more
যখন কোনো প্রাণী প্রজাতির উপ-প্রজাতি বা ভ্যারাইটি থাকে, তখন গণ, প্রজাতি ও উপ-প্রজাতি এ তিনটি অংশ নিয়ে নামকরণ করা হয়। এ পদ্ধতিকে ত্রিপদ নামকরণ বলে। যেমন – Naja naja naja (গোখরা), Pediculus humanus humanus (মানুসের মাথার উকুন) ইত্যাদি।ত্রিপদী নাম তিনটি নাম দ্বারা গঠিত হয়। প্রথম দুই নাম দ্বারা দ্বিপদী নাম গঠিত হয়। তিনটি নামই ইটালিক অক্ষরে এবং শুধু গণবাচক নামের প্রথম বর্ণ বড় … Read more
কোষের অভ্যন্তরে খাদ্যবস্তুর পরিপাককে অন্তঃকোষীয় পরিপাক বলে। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য শক্তি দরকার। প্রাণী মাত্রই তার গৃহীত খাদ্য থেকে এই শক্তি অর্জন করে। আমাদের দেহকে অবশ্য গৃহীত জটিল অণুর খাদ্র সামগ্রিকে সরল অণুতে অর্থাৎ দেহের উপযোগী শোষণযোগ্য উপাদানে পরিণত করে নিতে হয়। জটিল অণুর খাবারকে সরল করার কাজটিই হলো পরিপাক আর এর সাথে সংশ্লিষ্ট তন্ত্রটি … Read more
মানুষের চোখের বৈশিষ্ট্য হলো – যখন সে দেখে একই সাথে দু’চোখেই এককভাবে দেখে। বস্তু থেকে প্রতিফলিত আরোকরশ্মি চোখের রেটিনায় পতিত হলে স্নায়ু উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এ উদ্দীপনা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মস্তিষ্কের দৃষ্টিকেন্দ্রের প্রতিবিম্বে একভূত হয়। ফলশ্রুতিতে দু’চোখ এককভাবে বস্তুটিকে দেখতে পায়। এ কারণে মানুষের দৃষ্টিকে দ্বি-নেত্র দৃষ্টি বলে।
দেহকোষ ও জনন কোষের মধ্যে পার্থক্য হলো- ১। দেহ গঠনে দেহকোষ অংশ গ্রহণ করে।অপরদিকে, জনন কাজে জনন কোষ অংশ গ্রহণ করে। ২। মাইটোসিস পদ্ধতিতে দেহকোষ বিভাজিত হয়।অপরদিকে, মিয়োসিস পদ্ধতিতে জননকোষের উৎপত্তি হয়। ৩। দেহকোষের মধ্যে মিলন ঘটে না।অপরদিকে, পুং ও স্ত্রী জনন কোষ মিলিত হয়ে জাইগোট তৈরি করে।
লসিকা কাকে বলে? বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী স্থানে যে জলীয় পদাথ জমা হয় তা কতকগুলো ছোট নালীর মাধ্যমে সংগৃহীত হয়। ছোট নালীগুলো মিলিত হয়ে আবার বৃহত্তম নালীতে পরিণত হয়। এই নালীগুলোকে লসিকানালী এবং সংগৃহীত রসকে লসিকা বলে। লসিকার মধ্যে কিছু লসিকা কোষ বিদ্যমান। লসিকা ঈষৎ ক্ষারীয়, স্বচ্ছ ও হলুদ বর্ণের তরল। লসিকা এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ … Read more
ইন্টারফেজ কাকে বলে? মাইটোসিস কোষ বিভাজন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই বিভাজনে প্রথম ক্যারিওকাইনেসিস অর্থাৎ সাইটোপ্লাজমের বিভাজন ঘটে। বিভাজন শুরুর আগে কোষের নিউক্লিয়াসে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ হয়। এ পর্যায়ই হলো ইন্টারফেজ। মাইটোসিস কোষ বিভাজনে ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস শুরু হওয়ার পূর্বে কোষিটির নিউক্লিয়াসকে কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ করতে হয়। কোষটির এ অবস্থাকে ইন্টারফেজ বলে। ইন্টারফেজ এর গুরুত্ব