সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ কাকে বলে?

যেসব উদ্ভিদের দেহ অত্যন্ত সরল প্রকৃতির এবং যাদের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় সুনির্দিষ্টভাবে বিভক্ত করা যায় না, তাদের সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বা থ্যালাফাইট বলা হয়। এদের দেহে কোনো পরিবহন কলা (Vascular tissue) থাকে না এবং এরা সাধারণত এককোষী বা বহুকোষী নরম গঠনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। এদের জননাঙ্গ সাধারণত এককোষী এবং ভ্রূণ সৃষ্টি হয় না। উদাহরণ ও … Read more

আত্মঘাতী থলি কাকে বলে?

কোষের লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বা ‘সুইসাইডাল ব্যাগ’ বলা হয়। লাইসোজোমের ভেতরে অত্যন্ত শক্তিশালী পরিপাককারী এনজাইম থাকে যা সাধারণত কোষের ভেতরে আসা বহিরাগত জীবাণু বা অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে ধ্বংস করে। তবে কোনো কারণে কোষ যখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, রোগাক্রান্ত বা বৃদ্ধ হয়, তখন লাইসোজোমের আবরণী পর্দাটি ফেটে যায় এবং এর ভেতরের এনজাইমগুলো বের হয়ে আসে। এই এনজাইমগুলো তখন … Read more

সাইটোপ্লাজমের কাজ

কোষের কোষঝিল্লি দিয়ে ঘেরা এবং নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থিত জেলির মতো অর্ধতরল অংশটিই হলো সাইটোপ্লাজম। কোষের প্রাণশক্তি বজায় রাখতে এর ভূমিকা অপরিসীম। সাইটোপ্লাজমের প্রধান কাজগুলো নিচে আলোচনা করা হলোঃ সাইটোপ্লাজমের কাজ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলোঃ ১. কাঠামোগত ও ধারক কাজ ২. বিপাকীয় ও রাসায়নিক বিক্রিয়া ৩. পরিবহন ও সঞ্চালন ৪. সংশ্লেষণ ও শক্তি উৎপাদন ৫. সুরক্ষা … Read more

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে?

সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কাকে বলে? সাইটোপ্লাজমের অভ্যন্তরে অবস্থিত কোষের বিভিন্ন জৈবনিক ক্রিয়াকলাপের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত সজীব বস্তুকে একত্রে সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু বলে। একটি আদর্শ জীবকোষে সাধারণত যেসব অঙ্গাণু দেখা যায় সেগুলো হলো –

রাইবোজোম কাকে বলে? রাইবোজোমের কাজ

রাইবোজোম কাকে বলে? কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত ক্ষুদ্র দানাময় “রাইবোনিউক্লিও-প্রোটিন” কণা যা প্রোটিন সংশ্লেষণের স্থান হিসেবে কাজ করে, তাকে রাইবোজোম বলে।  রোমানিয়ান কোষবিজ্ঞানী জর্জ প্যালেড ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে এটি আবিষ্কার করেন এবং নাম দেন রাইবোনিউক্লিয়ার প্রোটিন।  পরে বিজ্ঞানী রিচার্ড বি. রবার্টস ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে এর নাম দেন Ribosome যা ribonucleoprotein particle of microsomes-এর শব্দ সংক্ষেপ। রাইবোজোমের কাজ

পলিরাইবোজোম কাকে বলে?

mRNA অণু রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হলে tRNA-র সহায়তায় প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। সংশ্লেষের সময় পরপর বেশ কয়েকটি রাইবোজোম mRNA-এর সঙ্গে সক্রিয় যুক্ত হলে এ অবস্থাকে পলিরাইবোজোম বা পলিজোম বলে।

পলিজোম কাকে বলে?

mRNA অণু রাইবোজোমের সাথে যুক্ত হলে tRNA-র সহায়তায় প্রোটিন সংশ্লেষিত হয়। সংশ্লেষের সময় পরপর বেশ কয়েকটি রাইবোজোম mRNA-এর সঙ্গে সক্রিয় যুক্ত হলে এ অবস্থাকে পলিজোম বা পলিরাইবোজোম বলে।

গলজি বস্তু কাকে বলে?

সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত কতকগুলো ঘনসন্নিবিষ্ট চওড়া সিস্টারনি, থলির মতো ভ্যাকুওল এবং ক্ষুদ্র ভেসিকল-এর সমন্বয়ে গঠিত জটিল অঙ্গাণুর নাম গলজি বস্তু।  ইতালিয় স্নায়ুবিজ্ঞানী ক্যামিলো গলজি ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে পেঁচা ও বিড়ালের মস্তিষ্কের কোষে গলজি বস্তু আবিষ্কার করেন এবং বিশদ বর্ণনা দেন।  তাঁর নামানুসারে এটি “গলজি বস্তু” নামকরণ করা হয়। গলজি বস্তু বিভিন্ন নামে পরিচিত, যথা- গলজি কমপ্লেক্স, গলজি … Read more

error: Content is protected !!