ডিম পাড়া মুরগি চেনার উপায়

নিচের অধিক ডিম পাড়া মুরগি চেনার উপায় বা লক্ষণসমূহ দেয়া হলো:১) শরীরের গঠন হবে সামান্তরিক২) মাথার ঝুঁটি লাল ও উজ্জ্বল থাকবে৩) চোখ উজ্জ্বল বড় ও কোটরের বাইরে অবস্থিত থাকবে৪) কটির অস্থি পাতলা নরম এবং চর্বি জমে থাকবে না৫) পেটের অংশ ভরা ও নরম।

কম ডিম পাড়া মুরগির লক্ষণ সমূহ কি কি?

নিচে কম ডিম পাড়া মুরগির লক্ষণ সমূহ দেয়া হলো:১) গঠন হবে ত্রিকোণাকৃতি২) মাথার ঝুঁটি ফ্যাকাশে হবে৩) চোখ ছোট, ঘোলাটে, অনুজ্জ্বল এবং কোটরের ভিতরে থাকে৪) কটির অস্থি মোটা, শক্ত এবং চর্বি জমে থাকবে৫) পেটের অংশ শক্ত ও অপ্রশস্ত ও৬) অবসারণী ছোট, শুকনা ও গোলাকার।

কার্প জাতীয় মাছ কাকে বলে?

কার্প জাতীয় মাছ বলতে বুঝায় দেশি ও বিদেশি রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউস ইত্যাদি। বিদেশি কার্প জাতীয় মাছগুলো হলো সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, বিগহেড কার্প, মিরর কার্প, কমন কার্প ইত্যাদি।

মাছের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

নিম্নে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হলো: মাছের অর্থনৈতিক গুরুত্ব : বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতি আর্থসামাজিক অবস্থায় মৎস্য সম্পদের গুরুত্ব অত্যধিক। নিচে মৎস্য সম্পদের বর্ণনা করা হলো: ক. জাতীয় আয়ের উৎস : বৈদেশিক মুদ্রার এক বিরাট অংশ আসে মৎস্য সম্পদ থেকে। সরকার প্রতিবছর মৎস্য সম্পদ থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে। দেশের মোট রপ্তানি … Read more

খাদ্য হিসেবে মাছের গুরুত্ব বর্ণনা কর।

বাঙালির খাদ্য তালিকায় মাছ একটি অপরিহার্য উপাদান। বাঙালি পুষ্টির চাহিদা পূরণে মাছের ভূমিকা অনস্বীকার্য। খাদ্য হিসেবে মাছের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। খাদ্য হিসেবে মাছের গুরুত্ব : মাছ আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি খাদ্য উপাদান। খাদ্য হিসেবে মাছের গুরুত্ব নিচে দেয়া হলো: ১) মাছ প্রাণিজ আমিষের মূল উৎস। মোট প্রাণিজ আমিষের শতকরা প্রায় ৬০ ভাগ মাছ থেকে পাওয়া যায়।২) পুষ্টিহীনতা … Read more

চাষ উপযোগী মাছের গুণাগুণ

পানিতে উৎপাদনকারী মাছের উপযুক্ত গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে চাষ করা উচিত। মাছ: পানিতে বসবাসকারী শীতল রক্তবিশিষ্ট মেরুদণ্ডী প্রাণী, যা স্বাভাবিকভাবে ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য পরিচালনা করে এবং পাখনা ও লেজের সাহায্যে চলাফেরা করে তাকে মাছ বলে। যেমন: রুই, কাতলা, চিংড়ি ইত্যাদি। চাষ উপযোগী মাছের গুণাগুণ: সব মাছ চাষ করা যায় না। যেসব মাছ চাষের … Read more

মৎস্য সম্পদের উৎস কয়টি?

বাংলাদেশের মৎস সম্পদের উৎসসমূহঃ প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত কারণে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের বহু ক্ষেত্র রয়েছে। জলাশয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী মৎস্য সম্পদের উৎসকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: অভ্যন্তরীণ জলাশয়কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ

error: Content is protected !!