বাছুরের জন্য শাল দুধ প্রয়োজন কেন?

গাভি প্রসবের ৫-৭ দিন পর্যন্ত শাল দুধ দেয়। প্রসবের পর বাছুরকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে, কারণ এই শাল দুধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। অর্থাৎ বাছুরের বেড়ে উঠার জন্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের পুষ্টি উপাদান শাল দুধের মধ্যে বিদ্যমান।

কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা

কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা –১। অনুন্নত দেশীয় জাতের প্রাণির/গরুর উন্নয়ন ঘটানো যায়।২। কোনো ষাঁড় থেকে একবার সংগ্রহ করা বীর্য দ্বারা ১০০-৪০০ বকনা বা গাভীকে প্রজনন করানো যায়।৩। উন্নত জাতের বা কাঙ্খিত ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করা যায়।৪। উন্নত জাতের বা কাঙ্খিত ষাঁড়ের বীর্য দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে ব্যবহার করা যায।৫। উন্নত জাতের ষাঁড় সঙ্গমে অক্ষম হলেও বীর্য সংগ্রহ … Read more

কৃত্রিম প্রজননের গুরুত্ব

কৃত্রিম প্রজননের গুরুত্ব১। অনুন্নত গরুর জাতকে উন্নত জাতে রূপান্তরিত করা যায়।২। উন্নত জাতে রূপান্তরিত করায় দুধ ও মাংসের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়।৩। গবাদিপশুর প্রজনন সংকট প্রতিরোধ করা যায়।৪। বকনা বা গাভীর গর্ভধারণের হার বেশি হয়।৫। কাঙ্খিত জাতের হাইব্রিড বা সংকর বাচ্চা উৎপাদন করা যায়।৬। গবাদিপশুর বিভিন্ন ধরনের যৌন রোগ থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়।৭। কৃত্রিম প্রজনন … Read more

কৃত্রিম প্রজননের অসুবিধা-

কৃত্রিম প্রজননের অসুবিধা-১। প্রজননকারীকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ হতে হয়।২। সুনির্দিষ্ট যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।৩। ত্রুটিযুক্ত বীর্য দ্বারা প্রজনন করালে সফলতা আসে না।৪। সঠিক পদ্ধতিতে প্রজনন না হলে গর্ভধারণের হার কমে যায়।৫। কাঙ্খিত জাতের ষাঁড়ের বীর্য না হলে আশা বিফলে যায়।৬। সঠিক উপায়ে বীর্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ না করতে পারলে বীর্য নষ্ট হয়ে যায়।৭। নীরব গরম হওয়া … Read more

মধু উৎপাদনের গুরুত্ব

মধু উৎপাদনের গুরুত্ব১। মধু মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাশয়, কানপাকা, জিহবার ঘা, জন্ডিস, অর্শরোগ, সর্দি, কাশি, শ্বাসরোগসহ বিভিন্ন রোগের উপশম ছাড়াও জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।২। মধু বলবৃদ্ধিকারক, পুষ্টিকর ও মিষ্টিদ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।৩। মধুতে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন-সি রয়েছে।৪। মধুতে বিদ্যমান ডেক্সট্রোজ শরীরের দীর্ঘস্থায়ী শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।৫। মধু দেহের রোগ … Read more

মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

মাশরুমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব১। মাশরুম সুস্বাদু ও পুষ্টিকার সবজি বিধায় নিয়মিত খেয়ে পুষ্টিহীনতা দূর করা যায়।২। বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা সম্ভব।৩। মাশরুমে ভেষজ গুণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি।৪। আবাদী জমির প্রয়োজন হয় না। ফলে ভূমিহীন কৃষক তাকে তাকে সাজিয়ে একটি ঘরকে কয়েকটি ঘরের সমান ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে … Read more

রেশমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

রেশমের অর্থনৈতিক গুরুত্বরেশমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিম্নে উল্লেখ করা হলো১। রেশম পোকা থেকে রেশমি সুতা পাওয়া যায়। এই রেশমি সুতা দ্বারা উন্নতমানের অতি মূল্যবান ও আরামদায়ক রেশমি কাপড় তৈরি হয়।২। রেশম কাপড়ের দেশে ও বিদেশে যেমন চাহিদা রয়েছে তেমনি এর দামও বেশি।৩। রেশম কাপড় বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা সম্ভব।৪। জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ … Read more

error: Content is protected !!