সমযোজী বন্ধনে দুই এর নিয়ম কাকে বলে?
কোনো পরমাণুতে অযুগ্ম ইলেকট্রন থাকলে তা অন্য পরমাণুর অযুগ্ম ইলেকট্রনের সাথে যুক্ত হয়ে যুগ্ম হয় এবং এভাবে সমযোজী বন্ধনের সৃষ্টি হয়। একে দুই এর নিয়ম বলে।
কোনো পরমাণুতে অযুগ্ম ইলেকট্রন থাকলে তা অন্য পরমাণুর অযুগ্ম ইলেকট্রনের সাথে যুক্ত হয়ে যুগ্ম হয় এবং এভাবে সমযোজী বন্ধনের সৃষ্টি হয়। একে দুই এর নিয়ম বলে।
যেসব পদার্থ এসিড ও ক্ষার উভয় হিসেবে আচরণ করে তাদেরকে অ্যাম্ফিপ্রোটিক পদার্থ বলে।
যে সকল মৌলের পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ এবং যারা সাধারণ অবস্থায় কোনো বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
কোনো আয়নের নিউক্লিয়াসের কেন্দ্র থেকে যে দূরত্ব পর্যন্ত ইলেকট্রন মেঘের উপর নিউক্লিয় আকর্ষণ বল বিস্তৃত থাকে সেই দূরত্বকে ওই আয়নটির আয়নিক ব্যাসার্ধ বলে।
মেটা ফসফরিক এসিডের সংকেত হলো HPO3.
একটি তীব্র তড়িৎ ঋণাত্মক মৌলের সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ হাইড্রোজেন পরমাণু, অপর একটি একই বা ভিন্ন অণুর তীব্র তড়িৎ ঋণাত্মক মৌলের পরমাণুর সঙ্গে আকর্ষণে আবদ্ধ হয়ে আয়নীয় প্রকৃতির যে দুর্বলতার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের সৃষ্টি হয় তাকে হাইড্রোজেন বন্ধন বা H – বন্ধন বলে।
ক্রোমিক এসিড (K2Cr2O7+ গাঢ় H2SO4) কে পরিষ্কারক মিশ্রণ বলে।
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়, নির্দিষ্ট সময়ে যে কোনো বিক্রিয়ার হার ঐ সময়ে উপস্থিত বিক্রিয়ক গুলোর সক্রিয় ভরের সমানুপাতিক।