অবস্থান্তর মৌল কী?
যেসব d-ব্লক মৌলের অন্তত একটি সুস্থিত আয়নের e– বিন্যাস d1 থেকে d9 এর মধ্যে থাকে তাদের অবস্থান্তর মৌল বলে।
যেসব d-ব্লক মৌলের অন্তত একটি সুস্থিত আয়নের e– বিন্যাস d1 থেকে d9 এর মধ্যে থাকে তাদের অবস্থান্তর মৌল বলে।
যেসব মৌলের বহিঃস্থস্তরের সর্বশেষ ইলেকট্রন p অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের p – block মৌল বলে।
যেসব মৌলের সর্ববহিঃস্থ স্তরের সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-block মৌল বলে।
অণু বা পরমাণুতে ইলেকট্রন মেঘের ক্ষনিক বিকৃতির কারণে সৃষ্টি আংশিক ঋণাত্মক ও ধনাত্মক আধানের মধ্যে সৃষ্ট বলকে লন্ডল বল বলে।
দুটি মৌলের পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগল একটি মৌল কতৃক অধিক আকর্ষণ করার প্রক্রিয়াকে তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে। উদাহরণঃ H-Cl অণুতে একটি ইলেকট্রন যুগল উভয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করে। একে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগল বলে। কিন্তু গড়ে এ ইলেকট্রন হাইড্রোজেন পরমাণু অপেক্ষা ক্লোরিন পরমাণুর নিকটে অধিক আকৃষ্ট হয়। এর কারণ হচ্ছে, ক্লোরিন হাইড্রোজেন অপেক্ষা শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে অধিকতর … Read more
পর্যায় সারণিতে মৌলসমূহের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবধান (2, 8, 8, 18, 18, 32) পরপর মৌলের কিছু ধর্মের পুনরাবৃত্তি ঘটে, যাকে পর্যাবৃত্ত ধর্ম বলে।
মৌলসমূহ ইলেকট্রন ত্যাগ বা গ্রহণ অথবা শেয়ারের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে সুস্থিতি লাভ করে এরূপ ঘটনাকে পরমাণুর রাসায়নিক বন্ধন বলে। অথবা, একটি অণুতে তার উপাদান পরমাণুসমূহ যে শক্তির দ্বারা একে অপরের সঙ্গে একত্রে যুক্ত থাকে সে শক্তিকে রাসায়নিক বন্ধন(Chemical Bond) বলে।
সমযোজী বন্ধন সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন যুগল যদি একটি মাত্র পরমাণু কর্তৃক প্রদত্ত হয়ে থাকে তাকে সন্নিবেশ বন্ধন বলে।