পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ কেন?

একটি পরমাণুতে কেন্দ্রে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন এবং কেন্দ্রের বাহিরে কক্ষপথে থাকে ইলেকট্রন। প্রোটন ধনাত্মক আধানবাহী এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানবাহী মৌলিক কণিকা। আর নিউট্রন হচ্ছে আধান নিরপেক্ষ। পরমাণুতে এ ধনাত্মক প্রোটন ও ঋণাত্মক ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকায় পরমাণু সামগ্রিকভাবে চার্জ নিরপেক্ষ হয়।

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌর মডেল বলা হয় কেন?

রাদারফোর্ড তার পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন। সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে গ্রহগুলোকে যেভাবে পরিভ্রমণ করে ঠিক একইভাবে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে তীব্র বেগে পরিভ্রমণ করে থাকে। একটি পরমাণুতে ইলেকট্রন সমূহ নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। নিউক্লিয়াসের সাথে ইলেকট্রনের যে আকর্ষণ বল কাজ করে তাকে কেন্দ্রমুখী বল বলে এবং কক্ষপথে ঘূর্ণায়নের … Read more

ক্রোমাটোগ্রাফি কাকে বলে?

যে বিশ্লেষণীয় প্রণালির মাধ্যমে কোন মিশ্রণকে একটি স্থির দশায় স্থাপন করে অপর একটি প্রবাহমান দশাকে ঐ স্থির দশার সংস্পর্শে পরিচালনা করে নমুনার মিশ্রণের উপাদানগুলোকে তাদের ভৌত ধর্ম যেমন অধিশোষণ মাত্রা, দ্রাব্যতা, কিংবা বণ্টনমাত্রার ওপর ভিত্তি করে পর্যায়ক্রমে পৃথক করা সম্ভব হয়, তাকে ক্রোমাটোগ্রাফি বলে।

পরমাণুর মডেল (Atomic Model)

রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের স্বীকার্য 1911 খ্রিস্টাব্দে আলফা কণা (হিলিয়াম নিউক্লিয়াস) বিচ্ছুরণ পরীক্ষার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। তা নিম্নরূপ-১. পরমাণুর কেন্দ্রস্থল একটি ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট ভারী বস্তু বিদ্যমান। এই ভারী বস্তুকে পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াস বলা হয়। পরমাণুর মোট আয়তনের তুলনায় নিউক্লিয়াসের আয়তন অতি নগণ্য। নিউক্লিয়াসে পরমাণুর সমস্ত ধনাত্মক … Read more

খাদ্য লবণ বর্ষাকালে ভেজা থাকে কেন?

খাদ্য লবণ মূলত সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ হয় না। এখানে অপদ্রব্য হিসাবে বিভিন্ন ধরনের দ্রবণ যেমন: MgCl, KCl, KI ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে। আর অপদ্রব্যগুলো পানি গ্রাসী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর বর্ষাকালে বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে বাতাস থেকে সহজে পানি শোষণ করে নিতে পারে।  ফলে বর্ষাকালে খাদ্য লবণ ভেজা থাকে। 

কলাম প্যাকিং এর সিক্ত পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।

কলাম প্যাকিং এর সিক্ত পদ্ধতিতে অধিশোষকের স্লারি তৈরি করে কলামের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। প্রথমে কাচনলকে খাড়া অবস্থায় একটি ক্লাম্পের সাহায্যে আটকানো হয়। অতঃপর কাচনলের নিচে তুলা বা গ্লাস উল দিয়ে দ্রাবক দ্বারা ভেজানো হয়। পরবর্তীতে অধিশোষণ চূর্ণ যোগ করে দ্রাবক দ্বারা সিক্ত করে স্টপার খুলে অতিরিক্ত দ্রাবক বের করে নেয়া হয়।

error: Content is protected !!