ক্যাথোড কাকে বলে?

যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ অর্থাৎ ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিজে বিজারিত হয় এবং অন্যকে জারিত করে বিক্রিয়া সংঘটিত করে তাকে ক্যাথোড বলে।তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের ক্ষেত্রে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যে তড়িৎদ্বার যুক্ত থাকে তা ক্যাথোড।গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে অ্যানোড হতে ত্যাগকৃত ইলেকট্রন তারের মাধ্যমে পরিবাহিত হয় ক্যাথোড সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে। যে তড়িদ্বারের সাথে ব্যাটারির ঋণাত্মক মেরুতে যুক্ত থাকে, সেই তড়িদ্বারটিকে ক্যাথোড বলে। ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে … Read more

অভ্যন্তরীণ শক্তি কাকে বলে? অভ্যন্তরীণ শক্তি কি?

কোনো বস্তুতে সঞ্চিত মোট শক্তিকে বলা হয় ঐ বস্তুর অভ্যন্তরীণ শক্তি।কোনো একটি পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি ধারণ করে, এই শক্তিকে অভ্যন্তরীণ শক্তি বলে। অভ্যন্তরীণ শক্তি বলতে কোন বস্তুর কণিকাসমূহের (অণু, পরমাণু) স্পন্দন গতি, আবর্তন গতি, রৈখিক গতি এবং এদের মধ্যে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন প্রকার বলের দরুণ উদ্ভূত সৃষ্ট মোট যে শক্তি বস্তুর মধ্যে … Read more

ল্যাবরেটরি ব্যবহার বিধি : পোষাক, নিরাপদ গ্যাস, মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস

আমরা জানবো – ১. পোশাক ল্যাবরেটরিতে কখনোই ঢিলেঢালা জামাকাপড় ব্যবহার করা উচিত নয়। ল্যাবরেটরিতে প্রবেশের আগে ছাত্রছাত্রীদের সাদা অ্যাপ্রন (Apron) পরতে হবে। রাসায়নিক দ্রব্য দ্বারা যাতে জামা কাপড় নষ্ট না হয় সেজন্য অ্যাপ্রন পরা জরুরি। এছাড়াও অ্যাপ্রন পরিধানে ল্যাবরেটরিতে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীরা মানসিক প্রস্তুতি লাভ করে। ছাত্রীরা প্রয়োজনে চুল বেঁধে মাথায় স্কার্ফ পরতে পারে। … Read more

যৌজ্যতা ইলেকট্রন

কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন বা ইলেকট্রনসমূহ থাকে তার সংখ্যাকে যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা বলা হয়।যেমনঃ পটাশিয়াম ও অক্সিজেনের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যথাক্রমে 1টি ও 6টি করে ইলেকট্রন বিদ্যমান। সুতরাং K এর যোজ্যতা ইলেকট্রন 1টি এবং অক্সিজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন 6টি। নিচের তালিকায় কিছু মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে যোজ্যতা ইলেকট্রনের সংখ্যা দেখানো হলোঃ … Read more

ধাতব বন্ধন (Metallic Bonds)

একটি ধাতু অপর একটি অধাতুর মধ্যে আয়নিক বন্ধন এবং দুটি অধাতব পরমাণুর মধ্যে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয়। কিন্তু দুটি ধাতব পরমাণু কাছাকাছি এলে তাদের মধ্যে যে বন্ধন গঠিত হয় সেটাকে ধাতব বন্ধন বলে। অর্থাৎ এক খণ্ড ধাতুর মধ্যে পরমাণুসমূহ যে আকর্ষণের মাধ্যমে যুক্ত থাকে তাকেই ধাতব বন্ধন বলে। ধাতব বন্ধন কীভাবে তৈরি হয়? প্রত্যেক ধাতব পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ … Read more

দ্রাব্যতা কি?

সাম্যাবস্থায় একটি দ্রাবকে যে সর্বাধিক পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত করা যায়, তাকে দ্রাব্যতা বলে।কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যত গ্রাম দ্রব 100 g দ্রাবকে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করে সেই ভর প্রকাশক সংখ্যাকে ঐ তাপমাত্রায় ঐ দ্রবের দ্রাব্যতা বলে। দ্রাব্যতা পদার্থের একটি ভৌত ধর্ম।কোন পদার্থের দ্রাব্যতা প্রকৃতপক্ষে ব্যবহৃত দ্রাবক, তাপমাত্রা ও চাপের উপর নির্ভর করে। দ্রাব্যতার নির্ভরশীলতা … Read more

হাইড্রোকার্বন কাকে বলে?

শুধুমাত্র হাইড্রোজেন ও কার্বন সহযোগে গঠিত জৈব যৌগকে হাইড্রোকার্বন বলে।হাইড্রোকার্বন বিভিন্ন ধরনের হতে পার, যেমন সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন অ্যালকেন, অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন অ্যালকিন ও অ্যালকাইন ও অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।যেমন – মিথেন(CH4), ইথেন (C2H6), প্রোপেন (C3H8), বিউটেন (C4H10) ইত্যাদি। IUPAC এর জৈব যৌগ নামকরণ পদ্ধতি অনুসারে হাইড্রোকার্বনের শ্রেণিবিভাগ। ১) সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন২) অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন৩) বলায়কার হাইড্রোকার্বন এবং ৪) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

error: Content is protected !!