রূপক কর্মধারয় সমাস কাকে বলে?

উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। এ সমাসে উপমেয় পদ পূর্বে বসে এবং উপমান পদ পরে বসে এবং সমস্যমান পদে ‘রূপ’ অথবা ‘ই’ যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। যেমন – ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল, বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু, মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

উপমান কর্মধারয় সমাস কাকে বলে?

উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ ধর্ম থাকবে। যেমন – ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ = ভ্রমরকৃষ্ণকেশ।এখানে, ভ্রমর উপমান এবং কেশ উপমেয়। কৃষ্ণত্ব হলো সাধারণ ধর্ম। সাধারণ ধর্মবাচক পদের … Read more

সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে

সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। অপরের উপকার করেই মানবজীবন ধন্য ও সার্থক হয়। অন্যের উপকার সাধনই তাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।কেবল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চলবে না। চারপাশের মানুষের কথাও ভাবতে হবে, ভাবা উচিত। সমাজে বাস করতে হলে একে অপরের সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে চলতে হবে। কারণ পারস্পরিক সহযোগিতাই মানবজীবনের উন্নতির মূল। … Read more

স্বরসঙ্গতি কাকে বলে? স্বরসঙ্গতি এর প্রকারভেদ

স্বরসঙ্গতি কাকে বলে? একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে। অর্থাৎ দুইটি স্বরধ্বনির মধ্যে সঙ্গতি রক্ষার জন্য একটির প্রভাবে আরেকটি পরিবর্তিত হলে তখন তাকে স্বরসঙ্গতি বলি। যেমন- দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি। স্বরসঙ্গতি এর প্রকারভেদ স্বরসঙ্গতি আবার ৫ প্রকার। যথাঃ ১) প্রগত ২) পরাগত ৩) মধ্যগত ৪) অন্যোন্য ৫) চলিত … Read more

অভিশ্রুতি কাকে বলে?

বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে বলে অভিশ্রুতি। যেমন- শুনিয়া > শুনে, বলিয়া > বলে।

অক্ষর কাকে বলে? অক্ষরের প্রকারভেদ

অক্ষর কাকে বলে? অক্ষর হচ্ছে বাগ্যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ। ইংরেজিতে আমরা যাকে সিলেবল বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। যেমন—‘বন্ধন’ শব্দটিতে বন্ + ধন—এ দুটি অক্ষর আছে। সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির লিখিত রূপ বা … Read more

পারিভাষিক শব্দ কাকে বলে?

বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। এর বেশিরভাগই এ কালের প্রয়োগ। উদাহরণ: অম্লজান – oxygen; উদযান – hydrogen; নথি – file; প্রশিক্ষণ – training; ব্যবস্থাপক – manager; বেতার – radio; মহাব্যবস্থাপক – general manager; সচিব – secretary; স্নাতক – graduate; স্নাতকোত্তর – postgraduate; সমাপ্তি – final; সাময়িকী – periodical; সমীকরণ – … Read more

তদ্ভব শব্দ কাকে বলে?

যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ, ‘তৎ’ (তার) থেকে ‘ভব’ (উৎপন্ন)। যেমন – সংস্কৃত -হস্ত, প্রাকৃত – হত্থ, তদ্ভব – হাত। সংস্কৃত – চর্মকার, প্রাকৃত – চম্মআর, … Read more

error: Content is protected !!