সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে

সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। অপরের উপকার করেই মানবজীবন ধন্য ও সার্থক হয়। অন্যের উপকার সাধনই তাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত।কেবল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকলে চলবে না। চারপাশের মানুষের কথাও ভাবতে হবে, ভাবা উচিত। সমাজে বাস করতে হলে একে অপরের সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে চলতে হবে। কারণ পারস্পরিক সহযোগিতাই মানবজীবনের উন্নতির মূল। … Read more

জৈব মুদ্রা কাকে বলে?

ATP-কে জৈব মুদ্রা বলা হয়। ATP এর পূর্ণরূপ হলো – Adenosine Tri-Phosphate.জীবের শ্বসনে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা ATP আকারে জমা থাকে। এটি থেকে একটি ফসফেট বা ফসফোরিক এসিড মুক্ত হলে শক্তি নির্গত হয়। সেই শক্তি দিয়ে জীবদেহের প্রতিটি জৈবনিক কাজ সম্পন্ন হয়। ATP শক্তি জমা রাখে এবং প্রয়োজন অনুসারে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে। জৈবমুদ্রা … Read more

কেন্দ্রিকানু বা নিউক্লিওলাস কী?

নিউক্লিয়াসের কেন্দ্রিকা রসের মধ্যে ক্রোমোসোমের সাথে লাগানো গোলাকার বস্তুটিই কেন্দ্রিকাণু বা নিউক্লিওলাস।ক্রোমোসোমের রঙঅগ্রাহী অংশের সাথে এরা লেগে থাকে। এরা RNA ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এরা নিউক্লিক এসিড মুজদ করে ও প্রোটিন সংশ্লেষণ করে।

ক্রিস্টি কাকে বলে?

মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরের স্তরটি ভাঁজ হয়ে আঙুলের মতো যে অভিক্ষেপ তৈরি হয়, তাকে ক্রিস্টি বলে।ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে, একে অক্সিজোম বলে। অক্সিজোমে বিভিন্ন ধরনের উৎসেচক সাজানো থাকে। বাইরের ঝিল্লি সোজা কিন্তু ভেতরের ঝিল্লি নির্দিষ্ট ব্যবধানে ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে আঙ্গুলের মত প্রবর্ধক বা ক্রিস্টি সৃষ্টি করে। এগুলো মাইটোকন্ড্রিয়ার ধাত্রকে কতকগুলো অসম্পূর্ণ প্রকোষ্ঠে বিভক্ত করে। … Read more

হিকারি কি?

২০ বছরের ভার্চুয়াল তরুণী যে কিনা তার গৃহকর্তার সকল যন্ত্রাংশ হোম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাকে হিকারি বলে।

কাইম কাকে বলে?

খাদ্য গ্রহণের পর মুখগহ্বর থেকে পেরিস্টালসিস প্রক্রিয়ায় তা পাকস্থলিতে পৌঁছায়। পাকস্থলিতে পৌঁছানো মাত্র সেখান থেকে গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়ে খাদ্যের সঙ্গে মিশ্রিত হয়। এ সময় পাকস্থলি অনবরত সংকোচন ও প্রসারণ এবং এনজাইমের ক্রিয়ার ফলে খাদ্য মিশ্র মন্ডে পরিণত হয়, যাকে কাইম বলে। কাইম অনেকটা স্যুপের মতো এবং কপাটিকা ভেদ করে তা ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে।

দ্বিপদ নামকরণ কি বা দ্বিপদ নামকরণ কাকে বলে?

গণ ও প্রজাতি নামক দুটি পদের সমন্বয়ে কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণই হলো দ্বিপদ নামকরণ। এই নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়। বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রবর্তিত লিনিয়ান হায়ারর্কির সর্বনিম্ন দুটি ধাপ। অর্থাৎ গণ বা জেনাস এবং প্রজাতি বা স্পিসিস এই দুটি পদ ব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে কোনো জীবের নির্দিষ্ট নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বা Binomial Nomenclature বলে। যেমনঃ … Read more

error: Content is protected !!