পিপেট কি?
পিপেট হলো দুই মুখ খোলা সুষম ছিদ্র বিশিষ্ট একটি কাচনল; যার মাঝের অংশ বাল্বের উপরে লাল রঙের দাগ কাটা, যা আয়তন নির্দেশ করে।
পিপেট হলো দুই মুখ খোলা সুষম ছিদ্র বিশিষ্ট একটি কাচনল; যার মাঝের অংশ বাল্বের উপরে লাল রঙের দাগ কাটা, যা আয়তন নির্দেশ করে।
যে সকল রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে পরীক্ষাগারে কোনো নমুনা সনাক্ত করা হয় তাদেরকে বিকারক বলা হয়। আরো পড়ুনঃ
ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন পরীক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য এবং যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যে ল্যাবরেটরি সামগ্রী ব্যবহার করা হয় (গ্লাস সামগ্রী, বার্নার ইত্যাদি) তাদেরকে এককথায় ল্যাবরেটরি কিট বলে।
রসায়নের ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক। রসায়ন ব্যবহার হচ্ছে এমন কয়েকটি ক্ষেত্র নিম্নে দেয়া হলো-
ক্যালিব্রেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোনো স্কেল বা পরিমাপ কাঠামোকে পরিমাপের শুরুতে আদর্শ বা জানা পরিমাণের সাহায্যে যাচাই করে নেয়া হয় এবং এতে করে পরিমাপ বা ব্যালেন্সিং এর নির্ভুল মান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের স্বীকার্যঃ 1911 খ্রিস্টাব্দে আলফা কণা (হিলিয়াম নিউক্লিয়াস) বিচ্ছুরণ পরীক্ষার সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। তা নিম্নরূপ- রদারফোর্ড পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতাঃ
কোনো অণুতে উপস্থিত দুটি পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি পরমাণুর নিজের দিকে আকর্ষণ করার ক্ষমতাকে তার তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে।উদাহরণঃ H-Cl অণুতে একটি ইলেকট্রন যুগল উভয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করে। একে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগল বলে। কিন্তু গড়ে এ ইলেকট্রন হাইড্রোজেন পরমাণু অপেক্ষা ক্লোরিন পরমাণুর নিকটে অধিক আকৃষ্ট হয়। এর কারণ হচ্ছে, ক্লোরিন হাইড্রোজেন অপেক্ষা … Read more
কিছু মৌলের যোজ্যতা অবস্থাভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে অর্থাৎ এরা যোজ্যতা প্রদর্শন করে। এরূপ যে মৌলের একাধিক যোজনী থাকে তার যোজনীকে মৌলের পরিবর্তনশীল যোজনী বা যোজ্যতা বলে। যেমন- আয়রনের দুটি যৌগ FeCl2 ও FeCl3 এ আয়রনের যোজনী যথাক্রমে 2 ও 3। তাহলে আয়রন পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে।