উপাত্তের উপস্থাপন কাকে বলে?
সংগৃহীত উপাত্ত পরিসংখ্যানের কাঁচামাল। এগুলোর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ও তথ্যাদি জানার জন্য উপাত্তের সারণীভূক্তের প্রয়োজন আর সারণীভূক্ত করাকেই উপাত্তের উপস্থাপন বলে।
সংগৃহীত উপাত্ত পরিসংখ্যানের কাঁচামাল। এগুলোর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ও তথ্যাদি জানার জন্য উপাত্তের সারণীভূক্তের প্রয়োজন আর সারণীভূক্ত করাকেই উপাত্তের উপস্থাপন বলে।
লেখচিত্র কাকে বলে? রেখার সাহায্যে অঙ্কিত পরিসংখ্যান উপাত্তের চিত্ররূপই লেখচিত্র। এক্ষেত্রে উপাত্তসমূহ নির্দিষ্ট স্কেল অনুযায়ী চিত্রের সাহায্যে অত্যন্ত সহজ ও সুন্দরভাবে প্রদর্শন করা হয়। লেখচিত্রের শ্রেণিবিভাগ লেখচিত্রকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যেমন – ১। রৈথিক লেখচিত্র (Line Graph)২। স্তম্ভ লেখচিত্র (Bar Graph) ৩। বৃত্ত বা চক্র লেখচিত্র (Circular or pie Graph) ৪। চিত্রের মাধ্যমে … Read more
যেসব রাসায়নিক দ্রব্য দেহের ত্বকের জীবন্ত কোষকে খুব দ্রুত ধ্বংস করে ত্বকের উপর ক্ষতের সৃষ্টি করে তাদেরকে ক্ষয়কারী রিয়েজেন্ট বলা হয়। যেমন: গাঢ় NaOH, গাঢ় KOH, গাঢ় H2SO4, গাঢ় HNO3, গাঢ় HCl, H2O2, AgNO3, লিকার অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।
যেসব দানাদার কঠিন রাসায়নিক দ্রব্যকে কক্ষ তাপমাত্রায় মুক্ত বায়ুতে রেখে দিলে তাদের অণুর সাথে সংযুক্ত কেলাস পানি বাষ্পাকারে অপসারিত হয় এবং অদানাদার পাউডারে পরিণত হয় তাদেরকে পানিত্যাগী পদার্থ বলা হয়। যেমন: গ্লুবার লবণ (Na2SO4·10H2O), কাপড় কাচা সোডা (Na2CO3·10H2O)। গ্লুবার লবণ থেকে 10 অণু পানির সমস্ত অংশই উবে যায়। কাপড় কাচা সোডা থেকে 9 অণু পানি … Read more
যে সব রাসায়নিক দ্রব্যকে উন্মুক্ত বায়ুতে রেখে দিলে বায়ু থেকে জলীয় বাষ্পকে শোষণ করে, কিন্তু তরল দ্রবণে পরিণত হয় না তাদেরকে পানিগ্রাহী পদার্থ বলা হয়। পানিগ্রাহী পদার্থের ভৌত অবস্থা কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যে কোনটিই হতে পারে। যেমন: অনার্দ্র কপার সালফেট (CuSO4), চুন (CaO), তরল গ্লিসারিন, গাঢ় H2SO4, হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস, হাইড্রোজেন ব্রোমাইড গ্যাস ইত্যাদি … Read more
মল্ট হলো অংকুরিত বার্লি বা অন্য কোনো শস্যের দানা ফারমেন্টেশনের দ্বারা উৎপন্ন (৬-১০)% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ।
কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের অণুসমূহ যে শক্তি দ্বারা পরস্পরকে আকর্ষণ করে তাকে আন্তঃআণবিক শক্তি বলে। এই আকর্ষণ বল বস্তুর প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।
গাইগার মুলার কাউন্টার বা জিএম (GM) কাউন্টার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় বিকিরণ ডিটেক্টর। এ কাউন্টার হাই গেইন অ্যামপ্লিফায়ার ছাড়াই আলফা, বিটা, গামা ও এক্সরে বিকিরণ শনাক্ত করতে পারে।