Civics শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
Civics শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Civis ও Civitas থেকে এসেছে।
Civics শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Civis ও Civitas থেকে এসেছে।
নিজের দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসাই হলো দেশপ্রেম।
কর্মক্ষম সকল নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় উৎপাদন ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা, নিয়মিত খাজনা ও কর প্রদান করাই অর্থনৈতিক কর্তব্য।
জাতি গঠনের একটি শক্তিশালী উপাদান হলো বংশগত উপাদান। কোনো জনসমাজ যখন বিশ্বাস করে যে, তাদের শিরা-উপশিরায় একই রক্ত প্রবাহিত এবং তাদের আকৃতিগত বৈশিষ্ট্য অভিন্ন তখন স্বভাবতই তাদের মধ্যে স্বজনপ্রীতি দেখা দেয়। রক্তের সম্পর্ক মানুষের মধ্যে একাত্মতার ভাব গড়ে তোলে, যা গভীর জাতীয়তাবোধের সৃষ্টি করে এবং বংশগত ঐক্যের সৃষ্টি হয়।
সাধারণত কোনো দেশে চলে আসা রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের মনোভাব, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টিকে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলে। কোনো দেশের রাজনৈতিক মূল্যবোধের প্রতীক হলো রাজনৈতিক সংস্কৃতি। প্রকৃত প্রস্তাবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো কোনো দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে দেশবাসীর ভাবগত ধারণা, মানসিক অনুভূতি ও বিশেষ মনোবৃত্তি।
সরকারের যাবতীয় কার্যাবলিকে প্রধানত আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের হাতে পৃথক পৃথকভাবে ন্যস্ত করার নীতিকেই ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি বলা হয়। ক্ষমতাস্বতন্ত্রীকরণ নীতি অনুযায়ী সরকারের প্রত্যেকটি বিভাগ অন্য বিভাগের হস্তক্ষেপমুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে।
পৌরনীতি হলো জ্ঞানের সেই মূল্যবান শাখা যা নাগরিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civics। ল্যাটিন শব্দ ‘Civis’ ও ‘Civitas’ হতে ইংরেজি Civics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। এদের অর্থ যথাক্রমে নাগরিক ও নগর রাষ্ট্র। সুতরাং উৎপত্তিগত দিক থেকে পৌরনীতি নাগরিক ও নগররাষ্ট্র সংক্রান্ত বিজ্ঞান। মূলগত অর্থে পৌরনীতি বলতে নগররাষ্ট্র এবং নাগরিকের আচরণ ও দায়িত্ব-কর্তব্য … Read more
যে সকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস বেরিয়ে যেতে মুখবিবরের কোথাও কোনো প্রকার বাধা পায় না, তাদেরকে বলা হয় স্বরধ্বনি। যেমন – অ, আ, ই, উ ইত্যাদি।