ট্রি টপোলজি কাকে বলে? ট্রি টপোলজির সুবিধা ও অসুবিধা

ট্রি টপোলজি কাকে বলে? যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট নেটওয়ার্কে বিন্যস্ত থাকে তাকে ট্রি টপোলজি বলে। একাধিক হাব ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলোকে একটি বিশেষ স্থান সংযুক্ত করা যাকে রুট বা সার্ভার কম্পিউটার বলে। ট্রি টপোলজির সুবিধা ট্রি টপোলজির অসুবিধা

মেশ টপোলজি কাকে বলে? মেশ টপোলজির সুবিধা ও অসুবিধা

মেশ টপোলজি কাকে বলে? যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশনের সাথে আলাদা আলাদা লিঙ্ক বা বাস থাকে এবং প্রতিটি ওয়ার্কস্টেশন সরাসরি যে কোনো ওয়ার্কস্টেশনের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে তাকে মেশ বা পরস্পর সংযুক্ত নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। মেশ টপোলজির সুবিধা মেশ টপোলজির অসুবিধা

কমিউনিকেশন সিস্টেম কাকে বলে?

কমিউনিকেশন বা যোগাযোগে সাধারণত দুইটি পক্ষ প্রয়োজন হয়। দুই পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। কমিউনিকেশন সিস্টেম হলো একক সংগ্রহ যা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, ট্রান্সমিশন সিস্টেম, রিলে স্টেশন, উপকেন্দ্র ও ডেটা টার্মিনাল যন্ত্রপাতির সাথে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করে। কমিউনিকেশন সিস্টেম এর উপাদানগুলো হচ্ছে কম্পিউটার, মডেম, ট্রান্সমিশন, … Read more

ডাইভারজেন্স কাকে বলে?

ভেক্টর ফাংশন বা ক্ষেত্রের ডাইভারজেন্স হলো একটি স্কেলার ফাংশন বা ক্ষেত্র যা ভেক্টর ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে ফ্লাক্সের প্রকৃতি জানা যায়।

একই আয়তনের দুটি বায়ুপূর্ণ বেলুনকে ভিন্ন তাপমাত্রায় রাখলে কী ঘটবে?

এখানে, একই আয়তনের দুটি বায়ুপূর্ণ বেলুনকে ভিন্ন তাপমাত্রায় রাখলে বেশি তাপমাত্রায় রাখা বেলুনটি কম তাপমাত্রায় রাখা বেলুন অপেক্ষা বেশি চাপ অনুভব করবে। কারণ, আমরা জানি, নির্দিষ্ট আয়তনে একটি নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।

শিশির কাকে বলে? শিশিরাঙ্ক কাকে বলে? শিশির পড়ে কেন?

শিশির কাকে বলে? রাতের বেলা ঘাস, গাছপালা ইত্যাদির উপর যে বিন্দু বিন্দু পানি জমে তাকে শিশির বলে। সন্ধ্যার পরে ‌তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকলে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বায়ুমণ্ডল জলীয়বাষ্প দ্বারাই সম্পৃক্ত হয়ে জলীয়বাষ্পগুলো শিশিরে পরিণত হয়। শিশিরাঙ্ক কাকে বলে? যে তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু তার ভিতরের জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয় তাকে ঐ বায়ুর শিশিরাঙ্ক বলে। … Read more

স্বরান্ত অক্ষর কাকে বলে?

যে সকল অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের স্বরান্ত অক্ষর বলে। এই অক্ষর উচ্চারণ করতে গেলে মুখ প্রসারিত হয় বা খুলে যায়, তাই এদের বিবৃত অক্ষরও বলা হয়ে থাকে। যেমনঃ ‘বিন্দু’ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দুটি অক্ষর পাওয়া যায়। এখানে, ‘বিন্’ ও ‘দু’ (দ+উ) অক্ষরটি স্বরান্ত অক্ষর।

error: Content is protected !!