পরমাণুর ভেতরের কণা (The Particles Inside an Atom)

পরমাণু তিনটি কণা দিয়ে তৈরি। সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। পরমাণুর কেন্দ্রের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে।ইলেকট্রনঃ ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মূল কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক বা নেগেটিভ। এ আধানের পরিমাণ -1.60×10-19 কুলম্ব। একে e প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একটি ইলেকট্রনের ভর 9.11×10-28 g। ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1 … Read more

সংকেত (Formula)

হাইড্রোজেনের একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2 ব্যবহার করা হয়। যার অর্থ হলো একটি হাইড্রোজেনের অণুতে দুটি হাইড্রোজেনের পরমাণু (H) আছে।আবার, পানির একটি অণুকে প্রকাশ করতে H2O ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ হচ্ছে পানির একটি অণুতে দুটি হাইড্রোজেন (H) এবং একটি অক্সিজেন পরমাণু (O) থাকে। নিচে কয়েকটি অণুর সংকেত দেখানো হলোঃ অণুর নাম সংকেত  নাইট্রোজেন N2  অ্যামোনিয়া … Read more

স্থিতিস্থাপক বল বিকর্ষণধর্মী হয় কিভাবে?

বল প্রয়োগে যদি বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়ের পরিবর্তন হয় আবার বল সরিয়ে নিলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে তবে সেই বলকে স্থিতিস্থাপক বল বলে। যেহেতু এই বল প্রয়োগ করলে পদার্থটি সংকোচিত হয় তাই এই প্রত্যয়নী বল বিকর্ষণধর্মী যা সাম্যাবস্থার জন্য সমান ও বিপরীতধর্মী। তাই স্থিতিস্থাপক বল বিকর্ষণধর্মী।

ব্যবর্তন পীড়নের সংজ্ঞা দাও।

ব্যবর্তন বিকৃতি প্রতিরোধ করার জন্য একক ক্ষেত্রফলে যে প্রতিরোধ বলের সৃষ্টি হয় অর্থাৎ বিকৃতি ঘটাতে একক ক্ষেত্রফলের উপর যে পীড়ন বল প্রযুক্ত হয় তাকে ব্যবর্তন পীড়ন বলে।

G-কে সার্বজনীন ধ্রুবক বলা হয় কেন?

G এর মান বস্তুকণাদুটির মধ্যবর্তী মাধ্যমের উপর কিংবা বস্তু কণা দুটির ভৌত অবস্থার উপর নির্ভর করে না। পদার্থবিজ্ঞানে অনেক ধ্রুবক রয়েছে যাদের কোনটি মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। বস্তুর অবস্থার উপর নির্ভর করে। বস্তুর অবস্থার উপর (যেমন – তাপমাত্রা, চাপ ইত্যাদি) নির্ভর করে, বস্তুর প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। কিন্তু মহাকর্ষীয় ধ্রুবক এমন একটি ধ্রুবক যার … Read more

সান্দ্রতাগুণাঙ্ক কাকে বলে?

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রবাহীর দুটি স্তরের মধ্যে বেগের প্রতি একক রাখতে প্রবাহী স্তরের একক ক্ষেত্রফলে যে স্পশকীয় বলের প্রয়োজন হয় তাকে সান্দ্রতা গুণাঙ্ক বলে।

ধারক (Capacitor)

তড়িৎ আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করার সামর্থ্যকে ধারকত্ব বলা হয়। ধারকত্ব বজায় রাখার জন্য উদ্ভাবিত যান্ত্রিক কৌশলই ধারক। কোনো উৎস থেকে যেমন তড়িৎ কোষ থেকে ধারক শক্তি সঞ্চয় করে তা পুনরায় ব্যবহার করা হয়। যে কোনো আকৃতির দুটি পরিবাহকের মধ্যবর্তী স্থানে কোনো অন্তরক পদার্থ যেমন – বায়ু, কাচ, প্লাস্টিক ইত্যাদি স্থাপন করে ধারক তৈরি করা হয়।  … Read more

স্থির বিদ্যুতের ব্যবহার (Uses of Static Electricity)

স্থির বৈদ্যুতিক রং স্প্রে গাড়ি, সাইকেল আলমারি বা অন্যান্য জিনিস রং করার জন্য ইদানিং রং এর স্প্রে ব্যবহার করা হয়। এটি করা হয় স্থির তড়িৎ ব্যবহার করে। স্প্রে গান এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি রং এর অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আহিত কণা তৈরি করে। রং স্প্রে গানের সূচালো প্রান্তটি একটি স্থির তড়িৎ জেনারেটর এর এক … Read more

error: Content is protected !!