সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

বিশেষ কিছু চিহ্ন বা অঙ্ক বিন্যস্ত বা প্রকাশ করে যে পদ্ধতিকে গণনা করা হয় তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।সহজভাবে বলা যায়, সংখ্যা গণনা করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে। বিভিন্ন প্রকার সংখ্যা পদ্ধতি রয়েছে। যেমনঃ দশমিক (ডেসিমাল),  বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল।কম্পিউটার সিস্টেমে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির গুরুত্বই বেশি।

স্থানিক সংখ্যা পদ্ধতি কাকে বলে?

যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার মান, বেস, অবস্থান ও র্যাডিক্স পয়েন্টের উপর নির্ভর করে নির্মিত হয় তাকে স্থানিক সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি চিহ্নের একটি নির্দিষ্ট স্থানিক মান রয়েছে যা নির্ভর করে অঙ্কটি কোন পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে তার ওপর। এটি একটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি। যেমন- বাইনারি(Binary) বা দ্বিমিক, অক্টাল (Octal) বা অষ্টমিক, ডেসিমাল (Decimal) বা … Read more

বিট কাকে বলে? নিবল কাকে বলে? বাইট কাকে বলে?

বিট কাকে বলে? কম্পিউটারের ব্যবহার্য ডেটার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম অংশ হলো বিট। তথা একক বাইনারি মান “0” অথবা “1” হলো বিট। Bit এর পূর্ণরূপ হলো Binary digit। নিবল কাকে বলে? ১ বাইটের অর্ধেক তথা ৪(চার) বিট মিলে নিবল হয়, যা সাধারণত একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। বাইট কাকে বলে? এক সেট বিট হলো বাইট … Read more

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কাকে বলে?

নিউক্লিয়ার ঝিল্লি কাকে বলে? নিউক্লিয়াস সজীব দুটি ঝিল্লি দিয়ে আবৃত থাকে- বহিঃঝিল্লি ও অন্তঃঝিল্লি। ঝিল্লি দুটিকে একসাথে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন বা নিউক্লিয়ার ঝিল্লি বলে। প্রতিটি মেমব্রেন দ্বিস্তরী ফসফোলিপিড বাইলেয়ার দ্বারা গঠিত। নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর রাসায়নিক উপাদান বিশুদ্ধ প্রোটিন। নিউক্লিয়ার ঝিল্লির কাজ নিউক্লিয়াসের রক্ষণাবেক্ষণ করাই নিউক্লিয়ার ঝিল্লির প্রধান কাজ। তা ছাড়া এটি নিউক্লিওপ্লাজম, নিউক্লিওলাস ও ক্রোমোজোমকে সাইটোপ্লাজম থেকে … Read more

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক কাকে বলে?

যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়য়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। এ ধরনের পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে। PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক।

মিশ্র গ্রন্থি কাকে বলে? বৈশিষ্ট্য, কাজ

মিশ্র গ্রন্থি কাকে বলে? যে সমস্ত গ্রন্থি অন্তঃক্ষরা (হরমোন ক্ষরণকারী অংশ) এবং বহিঃক্ষরা (উৎসেচক ক্ষরণকারী অংশ) উভয় গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত, তাদের মিশ্র গ্রন্থি বলে। মিশ্র গ্রন্থির বৈশিষ্ট্য ১) অনাল বা বহিঃক্ষরা গ্রন্থি এবং অনাল বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি যুক্ত হয়। ২) বহিঃক্ষরা অংশের ক্ষয় নালির মাধ্যমে ক্রিয়াস্থলে এবং অন্তঃক্ষরা অংশের ক্ষরণ রক্তের মাধ্যমে ক্রিয়াস্থলে পৌঁছায়। মিশ্র … Read more

অংশীদারি ব্যবসায়ের অসীম দায়ের ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।

আইন – অনুযায়ী অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম। ব্যবসায়ে বিনিয়োগকৃত মূলধনের বাইরেও অংশীদারদের ব্যক্তিগত দায় সৃষ্টি হয়। কোনো দেউলিয়া অংশীদারের দায়ও অন্যদের বহন করতে হয়। আবার, কোনো পাওনাদার যেকোনো অংশীদারের বিরুদ্ধে মামলা করে তার পাওনা আদায় করতে পারে। তাই বলা হয়, অংশীদারি ব্যবসায়ের দায় অসীম।

error: Content is protected !!