চুক্তি কী?

চুক্তি হলো দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যকার নির্দিষ্ট উপায়ে কোনো কাজ করার অঙ্গীকার।

অংশীদারি চুক্তিপত্রের বিষয়বস্তুগুলো কী কী?

চুক্তিপত্রের অংশীদার ব্যবসায়ের মূল সনদ দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করে। চুক্তিপত্রে অংশীদারী ব্যবসায়ের নাম, ঠিকানা, উদ্দেশ্য ব্যবসায়ের সেই মূলধন ও পরিচালনার নিয়মাবলি উল্লেখ থাকে। ব্যবসায়ে লাভ – লোকসান বণ্টন পদ্ধতি, অংশীদারদের দায়িত্ব, ক্ষমতা ও অধিকার ও বিরোধ মীমাংসা পদ্ধতি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাছাড়া অংশীদারদের অবসর গ্রহণ ও বহিস্কারের পদ্ধতি এবং বিলোপসাধনের পদ্ধতি চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকে।

অংশীদারি ব্যবসায়ে চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাস উপাদানটি ব্যাখ্যা কর।

অংশীদাররা চুক্তিবদ্ধ হলেই অংশীদারি ব্যবসায়ে চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাসের জন্ম হয়। অংশীদারদের পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর অংশীদারি ব্যবসায় টিকে থাকে। চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাসের কারণে অংশীদাররা ব্যবসায় সংক্রান্ত বিষয়ে একে অন্যের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। এ বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে অংশীদারী ব্যবসায়ের সৃষ্টি হয়। আবার বিশ্বাসের ঘাটতি হলে ব্যবসায়ের পরিসমাপ্তিও হতে পারে।

ব্যবসায় পরিবেশ কী?

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের গঠন, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ যেসব পারিপার্শ্বিক উপাদানের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়, সেগুলোর সমষ্টিকে ব্যবসায় পরিবেশ বলে।

একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিকের দায় অসীম কথাটি ব্যাখ্যা কর।

একক ব্যক্তির মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায়ই হলো একমালিকানা ব্যবসায়। একমালিকানা ব্যবসায়ের মালিক নিজেই নিয়ন্ত্রক। ব্যবসায়ে অন্য কোনো অংশীদার না থাকায় যাবতীয় দায়-দেনার জন্য মালিক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকে। প্রয়োজনে ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও তাকে ব্যবসায়ের দায়-দেনা পরিশোধ করতে হয়। এজন্যই বলা হয়, একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিকের দায় অসীম।

ব্যবসায় সংগঠন কত প্রকার?

ব্যবসায় সংগঠন মূলত কয়েকটি প্রধান প্রকারে ভাগ করা যায়। এই ভাগাভাগি করা হয় মালিকানার ধরন, আকার, কার্যকলাপ এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর ভিত্তি করে। ব্যবসায় সংগঠন এর প্রকারভেদ ব্যবসায় সংগঠনকে আরও ভাগ করা যেতে পারে:

error: Content is protected !!