বাহু কাকে বলে?

বাহু বলতে কোনো বহুভুজ বা জ্যামিতিক চিত্রের সীমাবদ্ধ রেখাংশকে বোঝায় যা চিত্রটির কাঠামো তৈরি করে। সহজভাবে বলতে গেলে, দুই বা ততোধিক সরলরেখা মিলিত হয়ে যখন কোনো ক্ষেত্র তৈরি করে, তখন প্রতিটি রেখাংশকে এক একটি বাহু বলা হয়। যেমন—একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহু থাকে এবং একটি চতুর্ভুজের থাকে চারটি। এই বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য এবং তাদের মধ্যবর্তী কোণের ওপর … Read more

পরম শূন্য উষ্ণতা কাকে বলে?

পরম শূন্য উষ্ণতা বলতে সেই তাত্ত্বিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রাকে বোঝায়, যেখানে কোনো পদার্থের অণুগুলোর তাপীয় গতি বা কম্পন একেবারে থেমে যায় এবং পদার্থের এনট্রপি বা বিশৃঙ্খলা সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছায়। এই তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়ে যাওয়ার কথা। সেলসিয়াস স্কেলে এর মান -২৭৩.১৫°C এবং কেলভিন স্কেলে একে ০ কেলভিন (0 K) ধরা হয়। এই তাপমাত্রার নিচে … Read more

ফায়ার আইস কাকে বলে?

ফায়ার আইস বা ‘জ্বলন্ত বরফ’ হলো মূলত মিথেন হাইড্রেট, যা সমুদ্রতলের নিম্ন তাপমাত্রা ও উচ্চ চাপে গঠিত এক ধরনের স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ। এটি দেখতে সাদা বরফের মতো হলেও এর আণবিক গঠনের খাঁচায় প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস আটকে থাকে। যখন এই বরফ সদৃশ পদার্থটিকে আগুনের সংস্পর্শে আনা হয় বা সাধারণ চাপে রাখা হয়, তখন খাঁচা ভেঙে … Read more

শিক্ষার লক্ষ্য পরিবর্তনশীল কেন?

শিক্ষার লক্ষ্য স্থির কোনো বিষয় নয়, বরং এটি একটি গতিশীল ও বিবর্তনশীল প্রক্রিয়া যা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। মূলত সমাজের পরিবর্তন, সভ্যতার অগ্রগতি এবং নতুন নতুন চাহিদার প্রেক্ষিতেই এই রূপান্তর ঘটে। আদিম সমাজে শিক্ষার লক্ষ্য যেখানে ছিল জীবন রক্ষা এবং খাদ্য সংগ্রহ, পরবর্তীকালে সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে তা জ্ঞানার্জন ও নৈতিক চরিত্রের বিকাশে রূপ … Read more

পুরুষার্থ কাকে বলে?

ভারতীয় দর্শন ও শাস্ত্রীয় ঐতিহ্য অনুসারে, মানুষের জীবনের পরম কাম্য লক্ষ্য বা চরম অভীষ্টসমূহকে একত্রে ‘পুরুষার্থ’ বলা হয়। ‘পুরুষার্থ’ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ হলো— পুরুষের (মানুষের) দ্বারা যা প্রার্থিত বা যা পাওয়ার যোগ্য। সনাতন ধর্মে মূলত চারটি পুরুষার্থের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোকে একত্রে ‘চতুর্বর্গ’ বলা হয়: ধর্ম (নৈতিকতা ও কর্তব্য পালন), অর্থ (সম্পদ ও জীবিকা), … Read more

যুক্ত ধ্বনি কাকে বলে?

ভাষার মাধুর্য ও উচ্চারণের ক্ষিপ্রতা বজায় রাখতে যখন দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মাঝখানে কোনো স্বরধ্বনি ছাড়াই একে অপরের সাথে মিলে যায়, তখন সেই মিলিত রূপকে যুক্তধ্বনি বা যুক্তবর্ণ বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের গঠনশৈলী ও সঠিক উচ্চারণে এদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত দ্রুত উচ্চারণের ফলে এই ধ্বনিগুলোর মিলন ঘটে, যেমন— ‘পদ্ম’ শব্দটিতে ‘দ্’ এবং ‘ম্’ … Read more

অবতল দর্পণ কাকে বলে?

অবতল দর্পণ হলো এমন এক ধরনের গোলীয় দর্পণ, যার প্রতিফলক তলটি ভেতরের দিকে বাঁকানো বা অবতল থাকে। অর্থাৎ, কোনো গোলকের ভেতরের মসৃণ অংশ যদি প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে এবং বাইরের দিকে পারা বা প্রলেপ লাগানো থাকে, তবে তাকে অবতল দর্পণ বলা হয়। এই দর্পণে সমান্তরাল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হওয়ার পর একটি বিন্দুতে মিলিত হয়, তাই … Read more

আলোর বিক্ষেপণ কাকে বলে?

সূর্যের আলো যখন বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন এটি বাতাসের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণু, ধূলিকণা এবং অন্যান্য সূক্ষ্ম পদার্থের ওপর আপতিত হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে আলোর বিক্ষেপণ (Scattering of Light) বলা হয়। মূলত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং বায়বীয় কণার আকারের ওপর ভিত্তি করে এই বিচ্ছুরণ ঘটে। রেলি-র বিক্ষেপণ (Rayleigh scattering) সূত্র অনুযায়ী, কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো (যেমন: … Read more

error: Content is protected !!