পলিস্যাকারাইড কাকে বলে?

যে সকল কার্বোহাইড্রেটকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করে অনেকগুলি মনোস্যাকারাইড অণু পাওয়া যায় তাদেরকে পলিস্যাকারাইড বলে। এরা পানিতে অদ্রবণীয় ও স্বাদহীন। যেমনঃ স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি। পলিস্যাকারাইডগুলির বিভিন্ন ধরণের রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: পলিস্যাকারাইডগুলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: পলিস্যাকারাইডগুলি বিভিন্ন শিল্পেও ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, স্টার্চ কাগজ, প্লাস্টিক এবং ফার্নিচার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। সেলুলোজ কাগজ, কাঠ … Read more

সমাজ কাকে বলে? সমাজের উপাদানগুলো কি কি?

সমাজ কাকে বলে? মানুষ যখন একত্রিত হয়, মেলামেশা করে এবং কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সংগঠিত হয় তখন তাকে সমাজ বলে।সমাজবিজ্ঞানী গিডিংস বলেন, “সমাজ বলতে সেই সংঘবদ্ধ মানবগোষ্ঠীকে বুঝায় যারা কোনো সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিলতি হয়েছে। মনের ভাব প্রকাশের জন্য এবং আদান – প্রদানের সহজাত প্রবৃত্তির বশে মানুষ একত্রে বসবাস করতে শিখেছে। গিডিংসের ভাষায় একত্রিত হওয়ার মূল … Read more

কল মানি কি?

কল মানি হল ন্যূনতম স্বল্পমেয়াদী ফিনান্স যা চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য, মেয়াদপূর্তিতে এক থেকে চৌদ্দ দিন বা রাতারাতি থেকে এক পাক্ষিক। এটি আন্তঃব্যাংক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই বাজারে একদিনের জন্য যে টাকা ধার দেওয়া হয় তা “কল মানি” হিসাবে পরিচিত এবং যদি এটি একদিনের বেশি হয় তবে তাকে “নোটিস মানি” হিসাবে উল্লেখ করা হয়।  বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে নগদ … Read more

ট্রপিক চলন কাকে বলে ও প্রকারভেদ

ট্রপিক চলন কাকে বলে? বাহ্যিক উদ্দীপকের প্রতিক্রিয়া হিসাবে উদ্ভিদের কোনও অংশের বাঁকানো বা চলাচলকে ট্রপিক চলন বলে। বহিঃউদ্দীপক উদ্ভিদদেহে যে উদ্দীপনার সৃষ্টি করে তার ফলে উদ্ভিদে চলন ও বৃদ্ধি সংঘটিত হয়। এসব চলনকে ট্রপিক চলন বলে। যেমনঃ আলোর প্রভাবে কাণ্ডের আলোর দিকে চলন ঘটে। ট্রপিক চলনের প্রকারভেদ ট্রপিক চলনকে পাঁচভাগে ভাগ করতে পারি। ফটোট্রপিক চলনঃ যে … Read more

ঝুম চাষ কাকে বলে?

ঝুম চাষ পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষি পদ্ধতি। যা জুম চাষ নামেও পরিচিত। ঝুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি। পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়। এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়। ঝুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের জীবন জীবিকার প্রধান অবলম্বন।

ডাল চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য

১) উঁচু ও মাঝারি জমিতে দোঁআশ, বেলে দোঁআশ, এঁটেল দোঁআশ এবং পলি দোঁআশ মাটিতে ডাল জাতীয় ফসল জন্মে। ডাল ফসল অতিরিক্ত পানি সহ্য করতে পারে না। তাই নিষ্কাশনযোগ্য মাটিই ডাল চাষের জন্য উপযোগী। ২) ডাল নিরপেক্ষ বা ক্ষারীয় চুনযুক্ত মাটিতে ভালো হয়। ৩) শুষ্ক ও ঠাণ্ডা আবহাওয়া এবং অল্প বৃষ্টিপাত ডাল ফসল চাষের জন্য উপযোগী। … Read more

গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য

১) উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযোগী। মাঝারি নিচু জমিতেও গম চাষ করা হয়। ২) দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ভালো।এঁটেল – দোআঁশ মাটিতেও গমের চাষ হয়। ৩) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে গমের চাষ ভালো হয়। এছাড়া ঢাকা, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুরেও গমের আবাদ হয়। ৪) বাংলাদের সব কৃষি অঞ্চলে গমের … Read more

ধান চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য

১) কংকর ও বেলে মাটি ছাড়া সব মাটিই ধান চাষের উপযোগী। এঁটেল ও এঁটেল দোঁআশ মাটি ধান চাষের জন্য খুব ভালো। নদ-নদীর অববাহিকা ও হাওর-বাঁওড় এলাকা যেখানে পলি জমে সেখানেও ধান ভালো হয়। ২) প্রকারভেদে উঁচু, মাঝারি, নিচু সব ধরনের জমিতেই ধানের চাষ করা যায়। যেমন, নিচু জমিতে বোরো ও জলি আমন চাষ করা হয়। … Read more

error: Content is protected !!