বিপদ সংকেত কি?
রাসায়নিক দ্রব্যের সম্ভাব্য বিপদ নির্দেশক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিহ্নসমূহকে বিপদ সংকেত বলে।
রাসায়নিক দ্রব্যের সম্ভাব্য বিপদ নির্দেশক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চিহ্নসমূহকে বিপদ সংকেত বলে।
ল্যাবরেটরির নিরাপত্তা সামগ্রীগুলো হলো- অগ্নিনির্বাপক বস্তু, ধোঁয়া বহিষ্কার প্রকোষ্ঠ, জ্বালানি সরবরাহের চাবি, নিরাপদ পানির ট্যাপ, রাসায়নিক বর্জ্য ও ভাঙা কাচ সংরক্ষণের পাত্র, ঝাঁটা, বা আবর্জনা রাখার ঝুড়ি, দ্রুত বের হওয়ার দরজা, টেলিফোন বা ইন্টারকমের ব্যবস্থা থাকা ইত্যাদি।
ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক রাসায়নিক দ্রব্যগুলো নিরাপদে ও গুণগত মান বজায় রেখে সংরক্ষণ করাকে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণ বলে। অথবা, রসায়ন পরীক্ষাগারে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার হয় যা ব্যবহারের পরে সিংক দিয়ে পয়ঃনিষ্কাশন প্রণালীতে ছেড়ে দিলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এ সমস্যা রোধ কল্পে ক্ষতিকারক এসকল দ্রব্য সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণ বলে।
যে যন্ত্রের সাহায্যে তরল পদার্থের আয়তন পরিমাপ করা হয় তাকে আয়তনমাত্রিক পরিমাপক বলে।
পাত্র থেকে বায়ু বের করার ব্যবস্থাকে বায়ু শূন্যকরণ বলে।
যেসব পদার্থ বায়ুর কোনো উপাদান (জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন, কার্বনডাই-অক্সাইড) দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে দীর্ঘদিন যাবত যাদের দ্রবণের ঘনমাত্রার পরিবর্তন ঘটে না তাদের প্রাইমারী স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। যেমন- Na2CO3, K2Cr2O7 ইত্যাদি।
পরিবেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কোনো পরীক্ষণ সম্পূর্ণ হওয়ার পর অব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যাদি নিরাপদে পরীক্ষা স্থান থেকে অপসারণ করাকে নিরাপদ পরিত্যাগ বলে।
যে বিজ্ঞানের সাহায্যে বস্তু বা পদার্থের গঠন, প্রস্তুতপ্রণালী, ধর্মাবলি, ব্যবহার, তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবর্তন প্রভৃতি সুস্পষ্ট বিধিযোগে সুষ্ঠুরূপে পর্যালোচনা করা যায় তাকেই রসায়ন বিজ্ঞান বলে।