আপেক্ষিকতা কী?
কোনো বিষয় অন্য কোনো কিছুর সাপেক্ষে বিবেচিত হবার নামই আপেক্ষিকতা।
কোনো বিষয় অন্য কোনো কিছুর সাপেক্ষে বিবেচিত হবার নামই আপেক্ষিকতা।
দুইটি স্থানাঙ্ক ব্যবস্থায় পরস্পরের সাপেক্ষে অসমবেগে গতিশীল হলে অর্থাৎ গতির ত্বরণ মন্দন হলে এদেরকে অজড় কাঠামো বলে।
মুক্তবেগ সূর্যের গড় ঘনত্ব ও ব্যাসার্ধের ওপর নির্ভর করে। কোনো বস্তুর ঘনত্ব যদি সূর্যের সমান এবং ব্যাসার্ধ যদি সূর্যের 500 গুণ হয়, তবে ঐ বস্তুর পৃষ্ঠ থেকে মুক্তিবেগ হবে আলোর দ্রুতি c এর চেয়েও বেশি। সুতরাং আলোকে সে নিজের দিকে টেনে রাখবে, ঐ বস্তু থেকে নির্গত আলো বস্তুতেই ফিরে যাবে, বস্তু থেকে বেরুতে পারবে না। … Read more
ধাতু পৃষ্ঠের ওপর উচ্চ কম্পাঙ্কের বিকিরণ আপতিত হলে ইলেকট্রন অবমুক্ত হওয়ার ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া বলে।
কম্পটন ক্রিয়া হলো ইলেকট্রন দ্বারা ফোটনের অস্থিতিস্থাপক বিক্ষেপ।
পর্যবেক্ষক এবং যা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে তার মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকার কারণে সময় পরিমাপে যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয় তাকে বলা হয় সময়ের আপেক্ষিকতা।
যে নির্দিষ্ট বিভবের জন্যে ফটো ইলেকট্রন নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়, অর্থাৎ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় তাকে ঐ ধাতুর নিবৃত্তি বিভব বলা হয়।
পর্যবেক্ষকের প্রসঙ্গ কাঠামোতে ঘটা দুটি ঘটনার সময় ব্যবধানকে প্রকৃত সময় বলে।