জড় প্রসঙ্গ কাঠামো কাকে বলে?
যে প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের গতিসূত্রগুলো প্রয়োগ করা যায়, তাকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।
যে প্রসঙ্গ কাঠামোতে নিউটনের গতিসূত্রগুলো প্রয়োগ করা যায়, তাকে জড় প্রসঙ্গ কাঠামো বলে।
সময়কে সার্বভৌম গণ্য করে, পরস্পরের সাপেক্ষে ধ্রুব বেগে গতিশীল দুটি প্রসঙ্গ কাঠামোর স্থানাঙ্ক ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী সমীকরণসমূহকে গ্যালিলীও রূপান্তর সমীকরণ বলা হয়।
যদি প্রতিবিম্বের অবস্থান, প্রকৃতি ইত্যাদি অপরিবর্তিত রেখে কোনো লেন্স সমবায়কে একটি একক লেন্স দ্বারা প্রতিস্থাপন করা যায় তাহলে ঐ একক লেন্সকে উক্ত সমবায়ের সমতুল্য লেন্স বলে।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া কাকে বলে? কোনো ধাতব পৃষ্ঠের ওপর যথেষ্ট উচ্চ কম্পাঙ্কের আলোক রশ্মি বা অন্য কোনো তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ আপতিত হলে উক্ত ধাতু থেকে ইলেকট্রন নিঃসৃত হয়। এ ঘটনাকে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বলে। অথবা, যে ধাতব পদার্থের ওপর যথোপযুক্ত কম্পাঙ্কের দৃশ্যমান আলোক কিংবা অন্য কোনো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ আপতিত হলে ঐ পদার্থ হতে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই … Read more
নিউক্লিয়াসের ভর, নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে অবস্থিত নিউক্লিয়নগুলোর মুক্তবস্থার ভরের সমষ্টির চেয়ে কিছু কম থাকে। ভরের এ পার্থক্যকে ভর ত্রুটি বলে।
প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় বলের জন্য মহাকালে এমন কিছু বস্তু বা জায়গা আছে যা থেকে আলো বা কোনো কিছু বেরিয়ে আসতে পারে না। এরূপ বস্তু বা জায়গাকে কৃষ্ণগহব্বর বলে।
আপতিত আলেকরশ্মির যে ন্যূনতম কম্পাঙ্কের জন্য ধাতুখণ্ড হতে ফটোইলেকট্রন নিঃসৃত হয় তাকে সূচন কম্পাঙ্ক বলে।
ফটো ইলেকট্রন কি? উচ্চ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট আলোক রশ্মি ধাতব পৃষ্ঠে আপতিত হলে ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার ফলে ধাতব পৃষ্ঠ থেকে নিঃসৃত ইলেকট্রনকে ফটো ইলেকট্রন বলে। ফটো ইলেকট্রন নির্গমন প্রক্রিয়া ফটো ইলেকট্রন নির্গমন প্রক্রিয়াটি সমীকরণ দ্বারা বর্ণনা E = hν – φ যেখানে: E হল নির্গত ইলেকট্রনের গতিশক্তি h হল প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক ν হল আলোর ফোটনের কম্পাঙ্ক φ … Read more