কুলম্বের সূত্রের সীমাবদ্ধতা

আবেশের ধারণা থেকে দেখা যায় যে, তড়িৎক্ষেত্রের অভিমুখের সঙ্গে অভিলম্বভাবে অবস্থিত এমন ক্ষেত্রফল দিয়ে অতিক্রান্ত বল নলের সংখ্যা =∈E, যেখানে, E = তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রাবল্য,  ∈ = মাধ্যমের ভেদনযোগ্যতা। যে তলের ওপর মোট আবেশ হিসাব করা হয় গ্যাসের উপপাদ্যের সাহায্যে সেই তলে কুলম্বের সূত্রের সাহায্যে মোট আবেশ নির্ণয় করা যায় না। আবার, বিন্দু চার্জ ছাড়া অন্য কোনো চার্জিত … Read more

ধারকের শ্রেণি সমবায় কি?

যদি কতগুলো ধারককে এমনভাবে পরপর সংযোজিত করা হয় যেন প্রথম ধারকের দ্বিতীয় পাত, দ্বিতীয় ধারকের প্রথম পাতের সাথে, দ্বিতীয় ধারকের দ্বিতীয় পাত তৃতীয় ধারকের প্রথম পাতের সাথে, এভাবে একের পর সংযুক্ত থাকে তবে তাকে ধারকের শ্রেণি সমবায় বলে।

কুলম্বের সূত্র

কোনো একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুইটি বিন্দু চার্জের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান চার্জ দুইটির গুণফলের সমানুপাতিক এবং চার্জ দুইটির মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল চার্জ দুইটির সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

সুষম তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে?

যে তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে প্রাবল্যের মান সমান ও অভিমুখ একই হয় তাকে সুষম তড়িৎক্ষেত্র বলে। সুষম তড়িৎক্ষেত্রের বলরেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল ও সম-ঘনত্ববিশিষ্ট হয়। কয়েকটি সমান্তরাল সরলরেখা অঙ্কন করে তাতে তীর চিহ্ন দিয়ে সুষম তড়িৎক্ষেত্র নির্দেশ করা হয়। কোন আধান থেকে বহু দূরে খুব অল্প জায়গায় তড়িৎক্ষেত্র মোটামুটি সুষম ধরা যেতে পারে।

error: Content is protected !!