ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয় বাংলা কোন সনকে?

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয় বাংলা ১১৭৬ সনকে। দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার মারাত্মক পরিণতি ছিল ছিয়াত্তরের মন্বন্তর। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ঘটে বাংলা ১১৭৬ সনে এবং ইংরেজি ১৭৭০ সালে।

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন – তাজউদ্দিন আহমেদ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে গঠিত অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ। আর এ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কোন তারিখে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল’ রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে?

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ৩০ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল’ রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর “মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল” রেজিস্টারে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ অন্তর্ভূক্ত হয় ৩০ অক্টোবর ২০১৭। এটাই ইউনেস্কোর ৪২৭ টি প্রামাণ্য ঐতিহ্যের মধ্যে প্রথম অলিখিত ভাষণ।

ক্রেমলিন কি?

ক্রেমলিন হলো – রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের রাজধানী মস্কো শহরের মস্কোভা নদীর উত্তরে অবস্থিত বিখ্যাত ক্রেমলিন কমপ্লেক্স দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় – ৮ই মার্চ। বিশ্বে নারী অধিকার আদায়ের একটি উপলক্ষ হিসেবে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়।

বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?

বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে। শিল্পসম্মত বাংলা গদ্যরীতির জনক হিসেবে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে অভিহিত করা হয়। তিনি বাংলা গদ্যের অবয়ব নির্মাণে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেন। বিদ্যাসাগর গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা, পরিমিতিবোধ ও ধ্বনিপ্রবাহে অবিচ্ছিন্নতা সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে উৎকর্ষের এক উচ্চতর পরিসীমায় উন্নীত করেন।

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। চর্যাচর্যবিনিশ্চয়, সরহপাদম, কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্নব এ চারটি পুঁথি একত্রে হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাপদই বাংলা ভাষায় রচিত। অন্য তিনটি অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।

error: Content is protected !!