প্যাচযুক্ত পানির কল যা ঘুরিয়ে খুলতে হয়, সাবানযুক্ত ভেজা হাতে তা খোলা কষ্টকর কেন?

প্যাঁচযুক্ত পানির কল যা ঘুরিয়ে খুলতে হয়, সাবানযুক্ত ভেজা হাতে তা খোলা কষ্টকর। কারণ পানির কল ঘুরিয়ে খোলার ক্ষেত্রে কল ও হাতের মধ্যকার ঘর্ষণ বল কাজ করে। শুকনো হাতে কলটি খোলার সময় ঘর্ষণ বলের মান বেশি হয় ফলে তা সহজে খোলা যায়। কিন্তু সাবানযুক্ত ভেজা হাতে খোলার সময় হাত ও কলের মধ্যকার ঘর্ষণ বলের মান … Read more

গ্যালিলিও নিউটনীয় যুগকে বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করা হয় কেন?

গ্যালিলিও নিউটনীয় যুগে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা ঘটে। এ সময়ে আলো, বিদ্যুৎ, চুম্বক, শব্দ, তাপ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রায়োগিক কাজ শুরু হয়। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক তত্ত্ব নির্মাণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা যাচাইয়ের বৈজ্ঞানিক ধারা সূচনা করেন। আর নিউটন এর পূর্ণতা আনেন। তাদের এই প্রবর্তিত ধারায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলকে সূত্রাকারে সহজে উপস্থাপন করা যায়। তাই … Read more

আর্কিমিডিসের মৃত্যু পরবর্তী সময়কে বিজ্ঞানের বন্ধ্যাকাল বলা হয় কেন?

আর্কিমিডিসের মৃত্যুর পর কয়েক শতাব্দীকাল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার মন্থর গতিতে চলে। আর্কিমিডিস মৃত্যুবরণ করেন ২১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। খ্রিস্টপূর্ব ২১২ এর পরবর্তী সময় থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর পূর্ব পর্যন্ত ইউরোপে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসার পুনর্জীবন ঘটেনি। তাই এ সময়কে বিজ্ঞানের বন্ধ্যাকাল বলা হয়।

এস.আই. একক কাকে বলে?

বৈজ্ঞানিক তথ্যের আদান-প্রদান ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের জন্য সারা বিশ্বে মাপজোখের একই রকম আদর্শের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ কারণে 1960 সাল থেকে দুনিয়া জোড়া বিভিন্ন রাশির একই রকম একক চালুর সিদ্ধান্ত হয়। এককের এই পদ্ধতিকে বলা হয় এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা এস.আই পদ্ধতি।

মৌলিক ও লব্ধ রাশির পার্থক্য কি?

যে সকল রাশি স্বাধীন, অন্য কোনো রাশির উপর নির্ভর করে না, তাকে মৌলিক রাশি বলে। আর যে সকল রাশি মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত হয় তাকে লব্ধ একক বলে। মৌলিক রাশির একক মৌলিক একক এবং লব্ধ রাশির একক লব্ধ একক।

এক মোল কাকে বলে?

পদার্থের পরিমাণের একক মোল। যে পরিমাণ পদার্থে 0.0012 কিলোগ্রাম কার্বন-12 এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি) বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ থাকে তাকে এক মোল বলে।

প্রতি চার বছর অন্তর লিপ ইয়ার হওয়া সত্ত্বেও বাংলা নববর্ষ কিভাবে ১৪ এপ্রিলই হয়?

বঙ্গাব্দকে আধুনিক করতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমী কর্তৃক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুসারে বছরের ১ম পাঁচ মাস ৩১দিনের ও বাকী মাসগুলো ৩০দিনের এবং লিপইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাসে ১দিন যোগ করা হয়।এ কারনে বাংলা নববর্ষ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলই হয়।

error: Content is protected !!