বিদ্যুৎ পরিবাহী ও অপরিবাহী পদার্থের নাম লিখ।

বিদ্যুৎ পরিবাহী যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে তাদেরকে বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ বলে।যেমন – লোহা, তামা, জিংক, লেড ইত্যাদি। বিদ্যুৎ অপরিবাহী যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না তাদেরকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ বলে।যেমন – প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ ইত্যাদি।

বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহারের কারণ কী?

বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহার করা হয় কারণ তামার তার হলো বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থ।তাই সহজে তামার তার দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটে। তামার তার ভালো পরিবাহক হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় কম উত্তপ্ত হয়। তাই বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে বিদ্যুতেরও অপচয় কম হয়।

অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

 অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ- নং   অণু পরমাণু  ১ যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার নাম অণু। মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার নাম পরমাণু।  ২ অণু মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। পরমাণু মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না।  ৩ যেমন- পানির অণু H2O। যেমন – পানিতে H ও O পরমাণু বিদ্যমান।

পরমাণু কাকে বলে?

একই ধরনের পরমাণু মিলে মৌলিক পদার্থের অণু গঠন করে। আর ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের পরমাণু মিলে যৌগিক পদার্থের অণু গঠন করে। সমস্ত কঠিন, তরল, গ্যাস এবং আয়ন – এর গঠনের মূলে রয়েছে নিস্তরিত বা আধানগ্রস্থ পরমাণু। পরমাণুর আকার খুবই ক্ষুদ্র। সাধারণত এরা দৈর্ঘ্যে ১০০ পিকোমিটার। ( ১ পিকোমিটার = ১০-১২ মিটার)

চিনিকে কেন যৌগিক পদার্থ বলা হয়?

যে সকল পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক পরমাণু পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে।  চিনির সংকেত হলো C12H22O11 । চিনিকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, চিনিতে ১২টি কার্বন, ২২টি হাইড্রোজেন এবং ১১টি অক্সিজেন পরমাণু বিদ্যমান। কাজেই চিনিকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।

তোমার পরিবারের সদস্যদের কোন কোন কাজ টেকসই উন্নয়নের অন্তরায় তা চিহ্নিত করে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন কর।

ভূমিকাঃ একটি নীতি বাক্য রয়েছে ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ। পৃথিবী নামক গ্রহে আমরা বসবাস করছি। পৃথিবীতে জীবনধারণের জন্য আমরা নানা উপকরণ যেমন, অক্সিজেন, পানি, মাটি, আশ্রয়স্থল ব্যবহার করছি। শুধু তাই নয় আমরা গাছের ছায়া ও মনোরম আবহাওয়া আমরা উপভোগ করি। টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবো। তাই মানব জীবনের টেকসই উন্নয়নের … Read more

পরিমাপে ত্রুটি ও নির্ভুলতা ব্যাখ্যা কর।

পরিমাপের সময় বিভিন্ন কারণে পরিমাপে ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির এবং পরীক্ষণের দক্ষতার উপর পরিমাপের নির্ভুলতা নির্ভর করে অর্থাৎ পরিমাপে ত্রুটির পরিমাণ কম হতে পারে। ধরা যাক, একটি মিটার স্কেল নেয়া হলো। স্কেলটিতে সেন্টিমিটার ও মিলিমিটারে দাগ কাটা আছে। এই মিটার স্কেলটির সাহায্যে একটি বইয়ের দৈর্ঘ্য মাপা হলে পরিমাপটি নির্ভুল ধরে নেয়া যেতে পারে। … Read more

error: Content is protected !!