ইজমা অর্থ কি?
ইজমা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো – একমত হওয়া, ঐক্যবদ্ধ হওয়া, মতৈক্য প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি। ব্যবহারিক অর্থে – কোনো বিষয় বা কথায় ঐক্যমত পোষণ করাকে ইজমা বলে।
ইজমা শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো – একমত হওয়া, ঐক্যবদ্ধ হওয়া, মতৈক্য প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি। ব্যবহারিক অর্থে – কোনো বিষয় বা কথায় ঐক্যমত পোষণ করাকে ইজমা বলে।
আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও আখিরাতে সুখ লাভ করা মাতা-পিতার সন্তুষ্টি লাভের ওপর নির্ভর করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।” কেননা, মাতা সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন, সীমাহীন কষ্ট সয়ে প্রসব করেন, দীর্ঘ দুই বছর ধরে দুগ্ধ দান করান এবং লালন-পালন করেন। সন্তানের জন্য মায়ের এ বিপুল অবদানের কারণে আল্লাহ তায়ালা মাতাকে এ বিশেষ সম্মান … Read more
কুফর শব্দের অর্থ – অস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা, গোপন করা, ঢেকে রাখা ইত্যাদি।
কুফর শব্দের আভিধানিক অর্থ অিস্বীকার করা, অবিশ্বাস করা, ঢেকে রাখা, গোপন করা, অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, অবাধ্য হওয়া ইত্যাদি।
খতমে নবুয়ত আরবি শব্দ। এর অর্থ নবুয়তের সমাপ্তি। হযরত আদম (আ.) এর মাধ্যমে এ পৃথিবীতে নবুয়তের যে ধারার সূচনা হয়েছিল মুহাম্মদ (স.) – এর মাধ্যমে তার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। রাসুল (স.) বলেছেন, “আমিই শেষ নবি আমার পরে কোনো নবি নেই।” তাই নবুয়তের দরজা বন্ধ হওয়াকে খতমে নবুয়ত বলে।
রাসুলুল্লাহ (স.) এর জীবদ্দশায় হাদিস লিখে রাখা নিষেধ ছিল। কেননা তখন কুরআন নাজিল হচ্ছিল। এ অবস্থায় মহানবি (স.) এর হাদিস লিখে রাখলে তা আল কুরআনের বাণীর সাথে সংমিশ্রণের আশঙ্কা ছিল। এ কারণে সংরক্ষণ করা হয় নি।
শরিয়তের উৎস চারটি। যথাঃ
পৃথিবীতে বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি পবিত্র কুরআন নাযিলের পূর্বে তা পৃথিবীর নিকটতম আসমানের বাইতুল ইযযাহ নামক স্থানে সংরক্ষিত ছিল।