ভাজক টিস্যু কাকে বলে?
উদ্ভিদ দেহের বিভাজন ক্ষমতা সম্পন্ন কোষের টিস্যুকে বলা হয় ভাজক টিস্যু।
উদ্ভিদ দেহের বিভাজন ক্ষমতা সম্পন্ন কোষের টিস্যুকে বলা হয় ভাজক টিস্যু।
সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণীকোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট দন্ড আকারের শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গাণুগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।
যে পেশি প্রাণীর ইচ্ছামতো সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঞ্চালন করে তাকে ঐচ্ছিক পেশি বলে।
উদ্ভিদকোষে তিন প্রকার প্লাস্টিড থাকে। এর মধ্যে ক্রোমোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ ব্যতীত অন্যান্য লাল, কমলা ও হলুদ বর্ণ ধারণ করে। উদ্ভিদের ফুলে ক্রোমোপ্লাস্টের উপস্থিতির কারণে ফুলের রং রঙিন হয়ে থাকে।
কোষ হচ্ছে জীবদেহের যাবতীয় কাজের, যেমন – শ্বসন, পুষ্টি, রেচন, বৃদ্ধি, বংশবিস্তার প্রভৃতির আধার। কোষের ভেতর রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে প্রতিটি জীবের শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য যে শক্তির দরকার তা তৈরি হয়। এ কারণেই কোষকে একটি ক্ষুদ্র রাসায়নিক কারখানা বলা হয়।
যে টিস্যু দেহের খোলা অংশ ঢেকে রাখে এবং দেহের ভিতরের আবরণ তৈরি করে তাকে আবরণী টিস্যু বা এপিথেলিয়াল টিস্যু বলে।
পাথরকুঁচি পাতার কিনারা থেকে নতুন কুঁড়ি গজায়। ধীরে ধীরে এসব কুঁড়ির নিচের দিকে গুচ্ছমূলও গজায় এবং কোনো এক সময় এরা মুক্ত হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। এভাবে পাথরকুঁচি উদ্ভিদের পাতার সাহায্যে প্রজনন হয়ে থাকে।
যেসব আরোহী উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুল শাখায় পরিণত না হয়ে প্রচুর খাদ্য সঞ্চয় করে গোলাকার মাংসপিণ্ডের আকার ধারণ করে সেগুলোই বুলবিল।