নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া কি?
যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুটি নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বৃহদাকার নিউক্লিয়াস গঠন করে, তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া বলে।
যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুটি নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বৃহদাকার নিউক্লিয়াস গঠন করে, তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া বলে।
একটি মৌল বা যৌগের অণুতে যে যে ধরনের মৌলের পরমাণু থাকে তাদের প্রতীক ও যে মৌলের পরমাণু যতটি থাকে সেই সংখ্যা দিয়ে প্রকাশিত সংকেতকে আণবিক সংকেত বলে।
অধাতব পরমাণুসমূহের সংযোগের সময় সংশ্লিষ্ট পরমাণুসমূহের সর্বশেষ শক্তিস্তরে স্থায়ী ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে যে বন্ধন গঠিত হয়, তাকে সমযোজী বন্ধন বলে।
কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যত সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে অথবা যত সংখ্যক বেজোড় ইলেকট্রন থাকে তাকে মৌলের যোজ্যতা বা যোজনী বলে। ধাতব মৌলের ক্ষেত্রে সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা এবং অধাতব মৌলের ক্ষেত্রে সর্বশেষ কক্ষপথের বেজোড় ইলেকট্রন সংখ্যা মৌলের যোজ্যতা নির্দেশ করে।
কোনো মৌলের সর্বশেষ প্রধান শক্তিস্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যাকে সেই মৌলের যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে। যেমন- Na এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ- Na(11)=1s22s22p63s1
যে সকল এসিড জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণরূপে বিয়োজিত হয় এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে H+ প্রদান করে, তাদেরকে সবল এসিড বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো ধাতুর ওপর অন্য একটি ধাতুর প্রলেপ সৃষ্টি করাই হলো ইলেকট্রোপ্লেটিং।
বিদ্যুৎ প্রবাহ যদি পরিবাহীর আয়ন দ্বারা সাধিত হয়, ঐসব পরিবাহীকে তড়িৎবিশ্লেষ্য পরিবাহী বলে।