অবস্থান্তর মৌলের বৈশিষ্ট্য

অবস্থান্তর মৌলের বৈশিষ্ট্য।  অবস্থান্তর মৌলের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ১. অবস্থান্তর মৌল সমূহ পরিবর্তনশীল যোজনী প্রদর্শন করে।২. এদের যৌগসমূহ রঙ্গিন হয়।৩. এদের অধিকাংশ মৌল জটিল যৌগ গঠন করে।৪. অবস্থান্তর মৌলসমূহ প্রভাবক হিসেবে ক্রিয়া করে।৫. অবস্থান্তর মৌলসমূহ প্যারাচৌম্বক  ধর্ম বিশিষ্ট হয়।

অবস্থান্তর ধাতু সমূহের আয়নের বর্ণ

অবস্থান্তর ধাতু সমূহের আয়নের বর্ণ। অবস্থান্তর ধাতু সমূহের আয়নের বর্ণ নিম্নরূপঃ  Sc³+ —-> বর্ণহীন  Ti³+ —–> রক্তবর্ণ  V³+ ——> সবুজ  Cr³+ ——> হালকা সবুজ  Mn³+ —–> বেগুনি  Mn²+ —–> গোলাপী  Fe²+  ——> সবুজ  Fe³+  ——> হালকা বাদামী  Co²+  ——> গোলাপী  Ni²+  ——> সবুজ  Cu²+  ——> নীল  Zn²+  ——> বর্ণহীন.

গাঢ় নাইট্রিক এসিডের সাথে P₂O₅ এর বিক্রিয়া

গাঢ় নাইট্রিক এসিডের সাথে P₂O₅ এর বিক্রিয়া। গাঢ় নাইট্রিক এসিডের (HNO₃) সাথে ফসফরাস পেন্টা অক্সাইড (P₂O₅) বিক্রিয়া করে N₂O₅ ও HPO₃ উৎপন্ন করে। P₂O₅ + 2HNO₃ —–> N₂O₅ + 2HPO₃

অবস্থান্তর ধাতুসমূহকে অবস্থান্তর বলা হয় কেন?

অবস্থান্তর ধাতুসমূহকে অবস্থান্তর বলার কারণ হচ্ছে, এসব মৌলের আয়নের d- উপশক্তিস্তরে ইলেকট্রন অসম্পূর্ণ হাওয়ায় এদের অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ এরা পরিবর্তনশীল জারণ অবস্থা প্রদর্শন করে। ফলে নিজেদের বর্ণের পরিবর্তন ঘটে। অবস্থান্তর মৌল সমূহের যৌগ ও দ্রবণ উভয় রঙ্গিন এবং প্রত্যেকটি অবস্থান্তর ধাতু পরিবর্তনশীল জারন মান প্রদর্শন করে।  আবার জারণ মানের সাথে এদের যৌগের বর্ণেরও পরিবর্তন … Read more

আলোক সক্রিয়তা কাকে বলে?

যেসব যৌগ এক সমতলীয় আলোর তলকে কৌনিক ঘূর্ণনে পরিবর্তন করে এদেরকে আলোক সক্রিয় যৌগ বলে এবং এসব যৌগের এক সমতলীয় আলোর তল ঘুরাবার ধর্মকে আলোক সক্রিয়তা বলে।

একবর্ণী আলো কাকে বলে?

একটিমাত্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোকরশ্মিকে একবর্ণী একবর্ণী আলো বলে।  একবর্ণী আলো বিশেষ আলোক উৎস থেকে পাওয়া যায়।  যেমনঃ সোডিয়াম ল্যাম্প থেকে একবর্ণী আলো নির্গত হয় এবং এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 5893ºA।

ক্যাটিনেশন কি?

যে ধর্মের জন্য একই মৌলের একাধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে বিভিন্ন সংখ্যায় যুক্ত হয় বিভিন্ন দৈর্ঘের ও আকৃতির শিকল বা বলয় গঠনে সক্ষম হয় তখন মৌলটির সেই ধর্মকে তার ক্যাটিনেশন ধর্ম বলে। যেমনঃ ক্যাটিনেশন ধর্মের জন্য কার্বনের ৬০টি পরমাণু পরপর যুক্ত হয়ে সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন হেক্সা কনটেন C₆₀H₁₂₂ সৃষ্টি করে।

অরবিট ও অরবিটাল কাকে বলে?

অরবিটঃ পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাহিরে সুনির্দিষ্ট যে বৃত্তাকার কক্ষপথে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে পরিভ্রমণ করে সেই কক্ষপথকে অরবিট বা প্রধান শক্তিস্তর বা প্রধান কক্ষপথ বলে। অরবিটালঃ নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে নির্দিষ্ট সম্ভাব্য স্থানে ইলেকট্রনের ঘনত্ব সর্বাধিক অর্থাৎ 90% – 95% হয় সেই সকল সম্ভাব্য স্থানকে অরবিটাল বলে।

error: Content is protected !!