পোলার দ্রাবক কী?
যে সকল দ্রাবকের উপাদান মৌলে ডাইপোল বিদ্যমান সে সকল দ্রাবককে পোলার দ্রাবক বলে।
যে সকল দ্রাবকের উপাদান মৌলে ডাইপোল বিদ্যমান সে সকল দ্রাবককে পোলার দ্রাবক বলে।
ইলেকট্রন ত্যাগ বা গ্রহণের ফলে কোনো মৌলের পরমাণুতে সৃষ্ট ধনাত্মক বা ঋণাত্মক চার্জের সংখ্যাকে ঐ মৌলের জারণ সংখ্যা বলে।
পর্যায় সারণির গ্রুপ – 2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে।
একটি অরবিটালের ইলেকট্রন মেঘের সাথে অপর অরবিটালের ইলেকট্রন মেঘের মিলনকে অধিক্রমণ বলা হয়।
গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের সর্বশেষ শক্তিস্তর থেকে এক মোল ইলেকট্রন অপসারণ করে একে একক ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তি প্রয়োজন হয় তাই সেই মৌলের আয়নীকরণ শক্তি বলে। অথবা, গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের ১ মোল বিচ্ছিন্ন পরমাণুর সর্ববহি:স্থ স্তর থেকে একটি করে ১ মোল ইলেকট্রন অসীম দূরত্বে অপসারণ করে এক মোল ধনাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ … Read more
যে সব ধাতুর অক্সাইড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষার উৎপন্ন করে তাদেরকে ক্ষারীয় অক্সাইড বলে।
অণু গঠনের সময় কেন্দ্রীয় পরমাণু যদি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের স্থিতিশীল কাঠামো অর্জনে ব্যর্থ হয় তথা ইলেকট্রনের অষ্টক অপূর্ণ থাকে তখন এ ধরনের ঘটনাকে অষ্টক সংকোচন বলে।
যে সকল যৌগ দুটি ভিন্ন মৌল নিয়ে গঠিত তাদের বাইনারী যৌগ বলে।