কিভাবে বর্ণালী উৎপন্ন হয়? বর্ণালীর ব্যবহার

কোনো নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে অবস্থানকালে ইলেকট্রন যদি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে তাহলে লাফ দিয়ে উপরের স্তরে গমন করে। আবার যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে তবে লাফ দিয়ে নিচের স্তরে গমন করে। শক্তি আলো হিসেবে শোষিত বা বিকিরিত হয়। এর ফলেই বর্ণালী সৃষ্টি হয়। বর্ণালী উৎপন্ন হওয়ার আরও কিছু উপায় বর্ণালীর ব্যবহার বর্ণালী হল … Read more

পরমাণুতে স্থায়ী মূলকণিকাগুলো কিভাবে অবস্থান করে ব্যাখ্যা কর।

পরমাণুতে স্থায়ী মূলকণিকা তিনটি ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্র নিউক্লিয়াসে পুঞ্জিভূত থাকে। ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান করে যা সর্বদা ঘূর্ণায়মান।

তড়িৎ ঋণাত্মকতা কাকে বলে?

কোনো অণুতে উপস্থিত দু’টি পরমাণুর মধ্যে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগলকে একটি পরমাণুর নিজের দিকে আকর্ষন করার ক্ষমতাকে তার তড়িৎ ঋণাত্মকতা বলে। উদাহরণঃ H-Cl অণুতে একটি ইলেকট্রন যুগল উভয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করে। একে শেয়ারকৃত ইলেকট্রন যুগল বলে। কিন্তু গড়ে এ ইলেকট্রন হাইড্রোজেন পরমাণু অপেক্ষা ক্লোরিন পরমাণুর নিকটে অধিক আকৃষ্ট হয়। এর কারণ হচ্ছে, ক্লোরিন হাইড্রোজেন … Read more

বাসায় বসে সাবান প্রস্তুত করার নিয়ম

সাবান প্রস্তুত করতে যা যা লাগবেঃ কি করতে হবেঃ১. ছোট একটি কড়াই বা পাতিল নিন।২. তাতে তেল ঢেলে দিন ।৩. একটু গরম করুন (১ মিনিট হলে হবে )৪. সাবধানে তেলের সাথে কস্তিক সোডা মেশান।৫. কিছুক্ষন গরম করুন।৬. যখন দেখবেন করাই এ সাদা সাদা শক্ত বস্তু (সাবান) দেখা যাচ্ছে তখন করাই নামিয়ে ফেলুন।৭. এবার পাত্রে হাল্কা … Read more

প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতে কি বুঝ?

মানুষের বসতি স্থাপন থেকে শুরু করে সাত হাজার বছর পূর্বের সময়কালকে বলা হয় প্রাগৈতিহাসিক যুগ। প্রাগৈতিহাসিক যুগ একটি সুদীর্ঘ সময়কালকে বুঝায়। অন্যভাবে বলতে গেলে আদিকাল থেকে শুরু করে যীশুখ্রীষ্টের জন্মের পাঁচ হাজার বছর আগের সময়কালকেও প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলা যেতে পারে।

তেজষ্ক্রিয় ট্রেসিং কি?

Tracing or Radioactive tracing: কোনো যৌগের একটি সুস্থিত আইসোটোপকে একই মৌলের তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা প্রতিস্থাপনই হলো ট্রেসিং বা তেজষ্ক্রিয় ট্রেসিং। একে লেবেলিংও বলা হয়।

ল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহার | HSC রসায়ন প্রথম পত্র Notes

রিসাইকেলিং বলতে কি বুঝ? সকল ল্যাবরেটরিতেই রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের সময় কিছু না কিছু বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এ সব বর্জ্যকে পুড়িয়ে না ফেলে বা পরিবেশে নিক্ষেপ না করে যদি কাজে লাগিয়ে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী পদার্থে পরিণত হয় তাহলে এই পদ্ধতিকে রিসাইকেলিং বলে। এতে কোন উপাদান ব্যয় যেমন তেমনি পরিবেশের উপর দূষিত বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব কমে আসে। … Read more

error: Content is protected !!