গাঠনিক সংকেত কাকে বলে?

কোন যৌগের অণুতে তার উপাদানসমূহ পরস্পরের সাথে কিভাবে যুক্ত আছে অর্থাৎ তার গাঠনিক অবস্থান প্রকাশের জন্য যে সংকেত ব্যবহৃত হয়, তাকে ঐ বস্তুর গাঠনিক সংকেত বলে। অথবা, একটি অণুতে মৌলের পরমাণুগুলো যেভাবে সাজানো থাকে প্রতীক এবং বন্ধনের মাধ্যমে তা প্রকাশ করাকে গাঠনিক সংকেত বলে। যেমনঃ তিনটি কার্বন (C) পরমাণু আটটি হাইড্রোজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে প্রোপেন (C3H8) … Read more

জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে? ব্যবহার, প্রকারভেদ

জীবাশ্ম জ্বালানি কাকে বলে? মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী ২০০ মিলিয়ন বা তার চেয়ে বেশি বছর মাটির নিচে থেকে উচ্চ তাপ ও চাপে কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা খনিজ তেলে পরিণত হয় বলে এগুলোকে জীবাশ্ম বলে। জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার জীবাশ্ম জ্বালানি – জীবাশ্ম জ্বালানির প্রকারভেদ জীবাশ্ম জ্বালানিগুলো প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হলো:  জীবাশ্ম জ্বালানি তৈরির … Read more

তাপমাত্রা বাড়লে ব্যাপন হার বাড়ে কেন?

কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসের কোনো জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে। কোনো পদার্থের ব্যাপনের হার তার ভর ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের ওপর নির্ভরশীল। আন্তঃআণবিক আকর্ষণ তথা ঘনত্ব কম হলে ব্যাপন দ্রুত হয়। অর্থাৎ ব্যাপন হার বেশি হয়। তাপমাত্রা বাড়লেও বস্তুর আন্তঃকণা আকর্ষণ কমে গিয়ে ব্যাপন হার বেড়ে যায়।

গলনাংক কি?

স্বাভাবিক চাপে (1 atm) যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের গলনাংক বলে।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার লিখ।

মানব জীবনে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার ব্যাপক। চিকিৎসাক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্রে, খাদ্য সংরক্ষণে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার নিম্নে দেয়া হলো- চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার:চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের দু’ধরণের ব্যবহার রয়েছে। কোনো রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয় করতে এবং রোগ নিরাময়ে। নিম্নে চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার: তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার করে কৃষিক্ষেত্রে নতুন নতুন উন্নত মানে … Read more

অবস্থান্তর মৌল কাকে বলে? অবস্থান্তর ধাতুগুলোর বৈশিষ্ট্য

অবস্থান্তর মৌল কাকে বলে? যেসব d-ব্লক মৌল অন্তত এমন একটি আয়ন গঠন করে যার ইলেকট্রন বিন্যাসে d অরবিটাল আংশিক ভাবে পূর্ণ থাকে তাদেরকে অবস্থান্তর মৌল বলে। অথবা, যে সকল মৌলের সুস্থিত আয়নের সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রন বিন্যাস (n-1)d1-9 ns0-2 হয় তাদের অবস্থান্তর মৌল বলে। অবস্থান্তর ধাতুগুলোর বৈশিষ্ট্য  অবস্থান্তর ধাতুগুলোর চারটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ধর্ম আছে। যেমন – ক) অবস্থান্তর ধাতুর জারণ অবস্থা পরিবর্তনশীল। যেমন: Fe এর জারণ … Read more

আধুনিক পর্যায় সূত্রটি বিবৃত কর।

আধুনিক পর্যায় সূত্র মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। পর্যায় সারণির জনক মেন্ডেলিফ যখন পর্যায় সারণি তৈরি করেন তখন শুধু মাত্র মৌলের পারমাণবিক ভর জানা ছিল। মেন্ডেলিফের পর্যায় সূত্রঃ মৌল সমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। মেন্ডেলিফ পারমাণবিক ভরের উপর ভিত্তি করে পর্যায় সারণি … Read more

অকটেট নিয়ম কাকে বলে?

যোজ্যতার ইলেকট্রনীয় তত্ত্বানুযায়ী পর্যায় সারণির অন্যান্য মৌলসমূহ (H, Li) ব্যতীত বহিঃস্থ ইলেকট্রনস্তর অপূর্ণ থাকে। তারা পরস্পরের মধ্যে বন্ধন গঠনের সময় এমনভাবে ইলেকট্রন আদান-প্রদান বা শেয়ার করে নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সুস্থিত গঠন বিন্যাস লাভ করে, একে অকটেট নিয়ম বলে।

error: Content is protected !!