ফরমালিন কাকে বলে? ব্যবহার | ক্ষতিকর দিকগুলি কি কি? দূর করার উপায় সমূহ

ফরমালিন কাকে বলে? ফরমালডিহাইডের (রাসায়নিক সংকেত HCHO) ৩৭ থেকে ৪০ শতাংশ জলীয় দ্রবণই হলো ফরমালিন। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মিথানল মিশ্রত থাকে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে ফরমালডিহাইড ও মিথানল উভয়ই বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ এবং মানব দেহের জন্য ক্ষতির কারণ। ফরমালিন এর ব্যবহার ফরমালিন এন্টি- ব্যাকটেরিয়াল বা সংক্রামক ব্যাধি নাশক হিসেবে ব্যবহৃত … Read more

আদর্শ আচরণ হতে বাস্তব গ্যাসের বিচ্যুতির কারণসমূহ কী কী?

আদর্শ আচরণ হতে বাস্তব গ্যাসের বিচ্যুতির কারণ দুটি। ১. আয়তন ত্রুটি: আদর্শ গ্যাস অণুসমূহের আয়তন অতি নগণ্য। এ জন্য সমস্ত গ্যাস আয়তন হতে তা উপেক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব গ্যাসসমূহের মূল্যায়ন করার মতো আয়তন আছে। ২. চাপ ত্রুটি: আদর্শ গ্যাসের গ্যাস অণুসমূহের নিজেদের মধ্যে কোনো আকর্ষণ বল নেই বলে ধরা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব গ্যাসমূহে এ আকর্ষণ বল … Read more

বাস্তব বা অনাদর্শ গ্যাস কাকে বলে?

বাস্তব গ্যাস কাকে বলে? বাস্তবে যে সব গ্যাস পাওয়া যায়, তাদেরকে বাস্তব গ্যাস বলা হয়। বাস্তব গ্যাসসমূহ সকল তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না। বাস্তব গ্যাসকে অনাদর্শ গ্যাসও বলা হয়। যেমন: H2, O2, N2 প্রভৃতি। বাস্তব গ্যাসের বৈশিষ্ট্য ১. বাস্তব গ্যাসগুলো পুরোপুরিভাবে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না। ২. নিম্নচাপে যেমন … Read more

গ্যাসের গতিতত্ত্বের প্রধান স্বীকার্যগুলো লিখ।

গ্যাসের গতিতত্ত্বের স্বীকার্যগুলো নিম্নরূপ- ১. গ্যাস অসংখ্য কণা সমন্বয়ে গঠিত। এই কণাগুলোকে অণু বলা হয়। একটি গ্যাসের সমস্ত অণুগুলো ধর্মে ও ওজনে একই। ২. কণাগুলো ইতস্তঃত প্রচণ্ড বেগে সরলরেখায় যে কোনো দিকে ছুটাছুটি করে। এর ফলে তারা যেমন নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি করে তেমনি পাত্রের দেয়াল সংঘর্ষ সৃষ্টি করে। পাত্রের দেয়ালে সংঘর্ষ বা ধাক্কার ফলে … Read more

বাস্তব গ্যাস কি?

যেসব গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে গ্যস সূত্রসমূহ পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করে না তাদের বাস্তব গ্যাস বলে। আমাদের পরিচিত H2, O2, N2 ইত্যাদি গ্যাসসমূহের সবকটি বাস্তব গ্যাস।

ক্ষয়কারী রিয়েজেন্ট কাকে বলে?

যেসব রাসায়নিক দ্রব্য দেহের ত্বকের জীবন্ত কোষকে খুব দ্রুত ধ্বংস করে ত্বকের উপর ক্ষতের সৃষ্টি করে তাদেরকে ক্ষয়কারী রিয়েজেন্ট বলা হয়। যেমন: গাঢ় NaOH, গাঢ় KOH, গাঢ় H2SO4, গাঢ় HNO3, গাঢ় HCl, H2O2, AgNO3, লিকার অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

পানিত্যাগী পদার্থ কাকে বলে?

যেসব দানাদার কঠিন রাসায়নিক দ্রব্যকে কক্ষ তাপমাত্রায় মুক্ত বায়ুতে রেখে দিলে তাদের অণুর সাথে সংযুক্ত কেলাস পানি বাষ্পাকারে অপসারিত হয় এবং অদানাদার পাউডারে পরিণত হয় তাদেরকে পানিত্যাগী পদার্থ বলা হয়। যেমন: গ্লুবার লবণ (Na2SO4·10H2O), কাপড় কাচা সোডা (Na2CO3·10H2O)। গ্লুবার লবণ থেকে 10 অণু পানির সমস্ত অংশই উবে যায়। কাপড় কাচা সোডা থেকে 9 অণু পানি … Read more

পানিগ্রাহী পদার্থ কাকে বলে?

যে সব রাসায়নিক দ্রব্যকে উন্মুক্ত বায়ুতে রেখে দিলে বায়ু থেকে জলীয় বাষ্পকে শোষণ করে, কিন্তু তরল দ্রবণে পরিণত হয় না তাদেরকে পানিগ্রাহী পদার্থ বলা হয়। পানিগ্রাহী পদার্থের ভৌত অবস্থা কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যে কোনটিই হতে পারে। যেমন: অনার্দ্র কপার সালফেট (CuSO4), চুন (CaO), তরল গ্লিসারিন, গাঢ় H2SO4, হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস, হাইড্রোজেন ব্রোমাইড গ্যাস ইত্যাদি … Read more

error: Content is protected !!