আয়নিক সাম্যাবস্থা কী?
যে সাম্যাবস্থায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদসমূহ একই ভৌত অবস্থায় থাকলেও উৎপাদসমূহ আয়নিত অবস্থায় থাকে তাকে আয়নিক সাম্যাবস্থা বলে।
যে সাম্যাবস্থায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদসমূহ একই ভৌত অবস্থায় থাকলেও উৎপাদসমূহ আয়নিত অবস্থায় থাকে তাকে আয়নিক সাম্যাবস্থা বলে।
রাসায়নিক পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্য থেকে সৃষ্ট বর্জ্যের কারণে পরিবেশ দূষিত হতে পারে। যে পদ্ধতিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক বর্জ্য সংরক্ষণ করা হয়, তাকে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রব্যের সংরক্ষণ বলা হয়।
সেন্ট্রিফিউজ যন্ত্র দ্বারা কেন্দ্রাতিগ বল প্রয়োগ করে এটি দ্বারা সহজেই অধঃক্ষেপকে তার শেষ দ্রবণ হতে আলাদা করা যায়। সেন্ট্রিফিউজ যন্ত্রকে হ্যান্ডেলের সাহায্যে সম্পূর্ণ অধঃক্ষেপই টেস্টটিউবের তলায় জমা হয়। ফিল্টার কাগজের সাহায্যে ছাঁকন প্রণালির পরিবর্তে সেন্ট্রিফিউজ দ্বারা একইভাবে অধঃক্ষেপকে এর শেষ দ্রবণ হতে অতি সহজে এবং খুব অল্প সময়ে আলাদা করা যায়।
হিমাঙ্ক কাকে বলে? যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ কঠিন পদার্থে পরিণত হয় সে তাপমাত্রাকে ঐ পদার্থের হিমাঙ্ক বলে। যা গলনাঙ্ক এর সমান হয়। সাধারণত কোনো পদার্থের গলনাঙ্ক ও হিমাঙ্ক একই হয়ে থাকে। পানি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বরফে পরিণত হয়। এই শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে পানির ফ্রিজিং পয়েন্ট বা হিমাঙ্ক বলে। পানির হিমাঙ্ক হলো শূন্য … Read more
চোখ অমূল্য সম্পদ। তাই ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময় চোখকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থের ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য চোখে নিরাপদ চশমা বা গগলস ব্যবহার অত্যাবশ্যকীয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় আমাদের এসিড বা ক্ষার জাতীয় পদার্থে তাপ দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাপ দেয়ার সময় এসব পদার্থ বাম্পিং এর মাধ্যমে আমাদের চোখে লাগতে পারে এবং চোখের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি করতে … Read more
প্রাচীনকালে দার্শনিকরা পদার্থের গঠন নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করেন। খ্রিস্টপূর্ব 380 অব্দের দিকে গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস ঘোষণা করেন যে, প্রত্যেক পদার্থকে ভাঙতে থাকলে শেষ পর্যন্ত এমন এক ক্ষুদ্র কণা পাওয়া যাবে যাকে আর ভাঙা যাবে না। তিনি এর নাম দেন অ্যাটম (Atom) অর্থ indivisible বা অবিভাজ্য)।
বিক্রিয়াকালে কোনো পরমাণুর যোগ্যতা স্তরের বিভিন্ন অরবিটালসমূহ পরস্পরের সাথে মিশ্রিত হয়ে পরে সমশক্তির অরবিটাল সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে অরবিটাল সমূহের সংকরণ বলা হয়।
নিউক্লিয়াসের চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রন নির্দিষ্ট শক্তিসহ একটি স্থায়ী বৃত্তাকার কক্ষপথে অবস্থান করার সময় কোনো শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এই কক্ষপথগুলোকে ইলেকট্রনের স্থায়ী শক্তিস্তর বলে। এই স্থায়ী শক্তিস্তরগুলোর সব সময় একটি নির্দিষ্ট মান থাকে এবং ইহা n এর মান দ্বারা নির্ণীত হয়।