ক্ষার ধাতু কাকে বলে?

ক্ষার ধাতু কাকে বলে? ক্ষার ধাতুগুলির উৎস যে সকল ধাতু পানির সঙ্গে সরাসরি বিক্রিয়া করে এবং তীব্র ক্ষার গঠন করে তাকে ক্ষার ধাতু বলে। যেমন: সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), লিথিয়াম (Li), ক্যালসিয়াম (Ca), আয়রন (Fe), জিংক (Zn), গোল্ড (Au), সিলভার (Ag) ইত্যাদি। ক্ষার ধাতুগুলির উৎস ক্ষার ধাতুগুলি অত্যন্ত সক্রিয়। এজন্য এদেরকে প্রকৃতিতে কেবল রাসায়নিক যৌগে … Read more

উদ্বায়ী পদার্থ কাকে বলে?

যে সকল পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে কঠিন অবস্থা থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং শীতলীকরণের ফলে পুনরায় গ্যাসীয় হতে কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়, তাদেরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলে।যেমন – ন্যাপথালিন, কর্পূর, আয়োডিন ইত্যাদি। কর্পূরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয় কারণ যেসব পদার্থে তাপ প্রদান করলে কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় এবং ঠান্ডা করলে শীতলকরণ … Read more

পর্যায় সারণির পটভূমি

Background of Periodic Table মানুষ প্রচীনকাল থেকে বিক্ষিপ্তভাবে পদার্থ এবং তাদের ধর্ম সম্পর্কে যে সকল ধারণা অর্জন করেছিল পর্যায় সারণি হচ্ছে তার একটি সম্মিলিত রূপ। পর্যায় সারণি একজন বিজ্ঞানীর একদিনের পরিশ্রমের ফলে তৈরি হয় নি। অনেক বিজ্ঞানীর অনেক দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আজকের এই আধুনিক পর্যায় সারণি তৈর হয়েছে। 1789 সালে ল্যাভয়সিয়ে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, … Read more

হিলিয়াম এর নিষ্ক্রিয়তার কারণ কি?

হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। কারণ, হিলিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাসে 1s অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে। প্রথম পর্যায়ের ক্ষেত্রে অন্য কোন অরবিটাল না থাকায় এবং s – অরবিটাল ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকায় হিলিয়াম মৌলটি অন্য কোন মৌল এমনকি আরেকটি হিলিয়াম এর সাথে যুক্ত হতে পারে না। ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ এবং শেয়ারের মাধ্যমে যৌগ গঠন করতে পারে না বলে হিলিয়াম একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস।118 … Read more

বায়োডিগ্রেডেবল কাকে বলে?

বায়োডিগ্রেডেবল পলিমার হলো ঐ সকল পলিমার যেগুলো নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরে ভেঙে গিয়ে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সহ উৎপাদ যেমন : গ্যাস, পানি, বায়োগ্যাস বিভিন্ন অজৈব লবণ প্রভৃতি উৎপন্ন করে।

শক্তির নিত্যতার সূত্র কী?

শক্তির নিত্যতার সূত্র (Principle of conservation of Energy) “শক্তি অবিনশ্বর। এর ধ্বংস বা সৃষ্টি নেই। শক্তি কেবলমাত্র এক রূপ হতে অপর এক বা একাধিক রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। মহাবিশ্বে মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়।” শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই, এই মহাবিশ্বে মোট শক্তির পরিমাণ সর্বদা ধ্রুবক। যেমন- নদীতে আড়াআড়িভাবে উচু বাঁধ দিলে, পানির উপরে … Read more

যৌগিক পদার্থ কাকে বলে?

যৌগিক পদার্থকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় – যেমন: পানি (H2O) একটি যৌগিক পদার্থ। কারণ পানির একটি অণুতে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মী মৌল হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) পরমাণু বিদ্যমান এবং হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এ দুটি মৌল নির্দিষ্ট ভর অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে পানি উৎপন্ন করে। এছাড়াও লবণ, চিনি ইত্যাদি।

প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া কাকে বলে?

যখন দুটি মৌলিক পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন হয় তখন সেই রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া বলে। যেমন: অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিক্রিয়া করে পানি উৎপন্ন করে। এটি একটি প্রত্যক্ষ সংযোগ বিক্রিয়া। বিক্রিয়াটি নিম্নরূপঃ 2H2 + O2 = 2H2O

error: Content is protected !!