সমযোজী বন্ধন (Covalent Bonds)

একটি ধাতব পরমাণু ও একটি অধাতব পরমাণু রাসায়নিক সংযোগের সময় ধাতু তার সর্বশেষ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন অধাতব পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তরে স্থানান্তর করে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন তৈরির মাধ্যমে আয়নিক বন্ধনের সৃষ্টি করে।  যদি দুটি অধাতব পরমাণুর মধ্যে রাসায়নিক সংযোগ করাতে চাই তাহলে সেটি কীভাবে ঘটবে? অধাতুর বেলায় পরমাণুর শেষ শক্তিস্তরের ইলেকট্রন ত্যাগ বা গ্রহণ করা সহজ নয় … Read more

পদার্থ ও পদার্থের অবস্থা

পদার্থ কাকে বলে? যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, কোনো কোনো পদার্থ তরল আবার কোনো কোনো পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। যেমন: কক্ষ তাপমাত্রায় চিনি, খাদ্য লবণ, মারবেল ইত্যাদি কঠিন অবস্থায়; পানি, তেল, কেরোসিন ইত্যাদি তরল অবস্থায় এবং নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসীয় … Read more

নিঃসরণ

নিঃসরণ কাকে বলে? সরু ছিদ্রপথে উচ্চচাপের স্থান থেকে কোনো গ্যাস নিম্নচাপের স্থানের দিকে সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। নিঃসরণ এর ব্যাখ্যাঃ একটি বেলুনকে ফুঁ দিয়ে ফোলাও। এবারে বেলুনের গায়ে এক টুকরা স্কটটেপ লাগাও। এখন একটি আলপিন দিয়ে স্কচটেপের উপর দিয়ে বেলুনটিকে ছিদ্র কর।  কী দেখলে? বেলুনের ভিতরের সমস্ত বাতাস ছিদ্রপথ দিয়ে সজোরে বেরিয়ে গিয়ে … Read more

আণবিক সংকেত ও গাঠনিক সংকেত

একটি মৌল বা যৌগের অণুতে যে যে ধরনের মৌলের পরমাণু থাকে তাদের প্রতীক এবং যে মৌলের পরমাণু যতটি থাকে সেই সকল সংখ্যা দিয়ে প্রকাশিত সংকেতকে আণবিক সংকেত বা রাসায়নিক সংকেত বলে। একটি অণুতে মৌলের পরমাণুগুলো যেভাবে সাজানো থাকে প্রতীক এবং বন্ধনের মাধ্যমে তা প্রকাশ করাকে গাঠনিক সংকেত বলে। যেমনঃ তিনটি কার্বন (C) পরমাণু আটটি হাইড্রোজেন … Read more

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে? সমযোজী বন্ধনের প্রকারভেদ, সিগমা বন্ধন, পাই বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে? সমযোজী বন্ধন (ইংরেজি: Covalent bond) হল এমন এক ধরনের রাসায়নিক বন্ধন যেখানে পরমাণুসমূহ তাদের নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে আবদ্ধ থাকে। ইলেকট্রন শেয়ার করা পরমাণুদ্বয়ের মধ্যেকার আকর্ষন ও বিকর্ষনের ফলে যে সুস্থিত ভারসাম্য বল তৈরী হয় তাই সমযোজী বন্ধন। দুটি পরমাণুর মধ্যে এক বা একাধিক ইলেকট্রন জোড় (প্রতিটি পরমাণু থেকে আগত … Read more

নিঃসরণ বর্ণালী কাকে বলে?

একটি পরমাণু বা অণু একটি উচ্চ শক্তি অবস্থা থেকে একটি নিম্ন শক্তি অবস্থায় রূপান্তরিত করার কারণে বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় বিকিরণের যে রেডিয়েশন নির্গত হয় তাকে নিঃসরণ বর্ণালি বলে।

রসায়নের পরিধি আলোচনা করো।

রসায়নের বিস্তৃতি ব্যাপক। যা মানুষের সেবায় নিয়োজিত। রসায়নের চর্চা সময়ের সাথে ক্রমবর্ধমান। দৈনন্দিন জীবনে রসায়নের ব্যবহার অনেক। আমাদের প্রশ্বাসের সময় গৃহীত বায়ু প্রধানত অক্সিজেন প্রকৃতিতে বায়ুতে বিদ্যমান। ব্রাশ, চিরুনি, কৃত্রিম রং, কাগজ, খাতা, কালি, পেন্সিল, কলম সবাই বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগের সমন্বয়ে গঠিত। শিল্প-কারখানায় বিভিন্ন পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়। আমাদের প্রতিদিনের গৃহীত খাবার শ্বেতসার, আমিষ, চর্বি … Read more

অ্যানায়ন কাকে বলে? অ্যানায়ন কি?

ঋণাত্মক আধান যুক্ত পরমাণুকে অ্যানায়ন বলে। যেমন – ক্লোরিন আয়ন (Cl–) হলো একটি অ্যানায়ন। যখন কোনো পরমাণু এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তখন এটি  স্বাভাবিকভাবে চার্জ আয়ন হয়ে যায় যা অ্যানায়ন হিসাবে পরিচিত।

error: Content is protected !!