প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলি কী?

১) প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে অর্থাৎ ৬-৯ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে ধীরে ধীরে বন্ধুবান্ধব, বিদ্যালয়, শিক্ষক প্রভৃতির মধ্যে সামাজিক বন্ধন তৈরি হয়। ২) সমবয়সিদের নিয়ে গ্যাং বা দল তৈরি করে।৩) বয়স্কদের আরোপিত শৃঙ্খলা অনেক সময় মানতে চায় না। ৪) নিজ নিজ দলের প্রতি একনিষ্ঠ হয়।

বিদ্যালয় কীভাবে সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে?

পাঠক্রমিক এবং সহপাঠক্রমিক কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক বিকাশে বিদ্যালয় সাহায্য করে। একদিকে যেমন – সমাজের রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ, মূল্যবোধ সম্পর্কে তাত্ত্বিক আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে, অন্যদিকে বিভিন্ন সহপাঠক্রমিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী সমাজের নিয়মকানুন, প্রথা, আদর্শ ও মূল্যবোধ ইত্যাদি সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করে।

ভাষা কিভাবে সামাজিক বিকাশে সাহায্য করে?

ভাষা হলো ভাব বিনিময়ের মাধ্যম। সমাজের সঙ্গে পরিচিত হতে গেলে প্রয়োজন ভাব বিনিময়ের। প্রকৃতপক্ষে, সামাজিক বিকাশে সামাজিক যোগাযোগ অপরিহার্য। আর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হলো ভাষা। তাই সামাজিক বিকাশের ক্ষেত্রে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সামাজিকীভবন বলতে কী বোঝ?

সমাজের রীতিনীতি, প্রথা, সংস্কৃতি, আদর্শ, মূল্যবোধ প্রভৃতি আত্মীকরণকে সামাজিকীভবন বলে। পরিবার, বিদ্যালয়, ক্লাব, ধর্মী প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি সামাজিক সংস্থাগুলি শিশুর সামাজিকীভবনে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। শিশুর সামাজিকীকরণে রেডিয়ো, দূরদর্শন, যাত্রা, নাটক ইত্যাদির ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

বৌদ্ধিক বিকাশ বলতে কী বোঝায়?

শিশুদের জন্মের পর থেকে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তারা প্রকৃতি, বাবা-মা, আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু, শিক্ষক প্রমুখের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং এর ফলে তাদের মধ্যে ধীরে ধীরে চিন্তাভাবনা, কল্পনা ইত্যাদি গড়ে উঠতে শুরু করে। এই বিকাশকেই বৌদ্ধিক বিকাশ বলে। পিয়াজেঁর মতে, জ্ঞানমূলক সংগঠনের একক স্কিমার বিস্তারই হলো বৌদ্ধিক বিকাশ।

কৈশোরকালে কীরূপ যৌন সমস্যা দেখা দিতে পারে?

কৈশোরকালে যে সমস্ত চাহিদা দেখা দেয় তার মধ্যে অন্যতম হলো যৌন চাহিদা। এই সময় ব্যক্তি বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে মিশতে চায়। কিন্তু বয়স্কের তিরস্কারের ভয়ে তা করতে সংকোচ করে। ফলে সমস্যা দেখা দেয়। ব্যক্তি বিভিন্ন যৌন পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চায়। কিন্তু সমাজের নিয়ন্ত্রণের ফলে প্রকাশ করতে পারে না এবং তা অবদমিত করে। ফলে তারা পরিবেশের সঙ্গে … Read more

সমাজ প্রজ্ঞামূলক শিখন বলতে কী বোঝ?

বান্দুরার মতানুসারে, সমাজ প্রজ্ঞামূলক শিখনের অর্থ হলো পারিপার্শ্বিক ব্যক্তি, বস্তু, ঘটনা ইত্যাদির উপযুক্ত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে লব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে আচরণের পরিবর্তন বা আচরণের উপর অর্জিত তথ্যের প্রভাব।

মনো-সামাজিক তত্ত্বের প্রবক্তা কে?

মনো-সামাজিক তত্ত্বের প্রবক্তা Erik Erikson। তিনি প্রখ্যাত জার্মান মনোবিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড-এর অনুগামী ছিলেন। তবে তিনি ফ্রয়েডের মনোসমীক্ষণ তত্ত্বের লিবিডোর অতি যৌনতার ভূমিকাকে স্বীকার করেন নি।

error: Content is protected !!