ম্যানগ্রোভ বন কাকে বলে?

নদীর বদ্বীপ অঞ্চল ও অন্যান্য নিচুস্থান, যেখানে সমুদ্রের লোনা জল প্রবেশ করে, সেইসব অঞ্চলে যে বনভুমির সৃষ্টি হয় তাকে ম্যানগ্রোভ বনভুমি বলে ।ম্যানগ্রোভ জাতীয় গাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এই সব গাছের শিকড় নদীর জোয়ারের সময় শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার জন্য মাটি ফুঁড়ে উপরে ওঠে, একে শ্বাসমূল বলে । এছাড়া কান্ডকে সোজাভাবে ধরে রাখার জন্য এইসব গাছে ঠেসমূলও দেখা … Read more

উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি দরকার কিনা তার পরীক্ষার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার ধাপগুলো কী কী হবে?

পরীক্ষণ : উদ্ভিদের বেঁচে থাকার জন্য পানি দরকার কিনা তার পরীক্ষা। পরীক্ষণটি করতে যা যা দরকার: ছোট দুটি পাত্র, ফুলগাছের দুটি চারা, পানি, শুকনা মাটি। ১. সমস্যা নির্ধারণ: পরীক্ষণ পদ্ধতির প্রথম ধাপে সমস্যা স্থির করেছিলাম, ফুলগাছের চারা তুলে এনে লাগালে মারা যাচ্ছে কেন? ২. জানা তথ্য সংগ্রহ: শিক্ষককে এবং পিতা-মাতাকে জিজ্ঞাসা করে জেনেছিলাম কেন চারাগাছ মারা যেতে পারে। … Read more

বিদ্যুৎ পরিবাহী ও অপরিবাহী পদার্থের নাম লিখ।

বিদ্যুৎ পরিবাহী যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে তাদেরকে বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ বলে।যেমন – লোহা, তামা, জিংক, লেড ইত্যাদি। বিদ্যুৎ অপরিবাহী যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না তাদেরকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ বলে।যেমন – প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ ইত্যাদি।

বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহারের কারণ কী?

বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহার করা হয় কারণ তামার তার হলো বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থ।তাই সহজে তামার তার দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ ঘটে। তামার তার ভালো পরিবাহক হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় কম উত্তপ্ত হয়। তাই বিদ্যুৎ পরিবহনে তামার তার ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে বিদ্যুতেরও অপচয় কম হয়।

অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য লিখ।

 অণু ও পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ- নং   অণু পরমাণু  ১ যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার নাম অণু। মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার নাম পরমাণু।  ২ অণু মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে। পরমাণু মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না।  ৩ যেমন- পানির অণু H2O। যেমন – পানিতে H ও O পরমাণু বিদ্যমান।

পরমাণু কাকে বলে?

একই ধরনের পরমাণু মিলে মৌলিক পদার্থের অণু গঠন করে। আর ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের পরমাণু মিলে যৌগিক পদার্থের অণু গঠন করে। সমস্ত কঠিন, তরল, গ্যাস এবং আয়ন – এর গঠনের মূলে রয়েছে নিস্তরিত বা আধানগ্রস্থ পরমাণু। পরমাণুর আকার খুবই ক্ষুদ্র। সাধারণত এরা দৈর্ঘ্যে ১০০ পিকোমিটার। ( ১ পিকোমিটার = ১০-১২ মিটার)

চিনিকে কেন যৌগিক পদার্থ বলা হয়?

যে সকল পদার্থকে বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক পরমাণু পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগিক পদার্থ বলে।  চিনির সংকেত হলো C12H22O11 । চিনিকে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে, চিনিতে ১২টি কার্বন, ২২টি হাইড্রোজেন এবং ১১টি অক্সিজেন পরমাণু বিদ্যমান। কাজেই চিনিকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।

error: Content is protected !!