আমানত রক্ষা কাকে বলে?
গচ্ছিত বা দায়িত্বে রাখা বস্তু সযত্নে রেখে এর মালিকের কাছে যথাযথভাবে ফেরত দেওয়াকে আমানত রক্ষা বলে।
গচ্ছিত বা দায়িত্বে রাখা বস্তু সযত্নে রেখে এর মালিকের কাছে যথাযথভাবে ফেরত দেওয়াকে আমানত রক্ষা বলে।
মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মের মাধ্যমে যেসব আচার-ব্যবহার, চাল-চলন এবং স্বভাবের প্রকাশ পায় সেসবের সমষ্টিই হলো আখলাক।
ইসলামে শ্রমের মর্যাদা অত্যধিক। মানুষ তার নিজের বেঁচে থাকার, অপরের কল্যাণের এবং সৃষ্টি জীবের উপকরণের জন্য যে কাজ করে তাই শ্রম। এই শ্রমের যথার্থ মূল্যায়নই শ্রমের মর্যাদা। নিজ শ্রম দ্বারা অর্জিত খাদ্যকে উৎকৃষ্ট খাদ্য এবং জীবিকা অন্বেষণকে ইবাদত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইসলাম। রাসুল(স.) এবং সাহাবিগণ জীবিকার জন্য পরিশ্রম করতে কোনো লজ্জাবোধ করেননি। কোনো কাজকে ইসলাম … Read more
সামাজিক উন্নয়নে শালীনতাবোধের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে। বান্দাকে আল্লাহর অনুগত হতে সাহায্য করে। আচরণে শালীন ব্যক্তিকে সবাই পছন্দ করে। রাসুল(স.) বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা অশালীন ও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিকে ঘৃণা করেন (তিরমিযি)।’ শালীনতাপূর্ণ আচার-ব্যবহার সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের চাবিকাঠি।
ইভটিজিং বলতে কথা, কাজ, আচরণ ইত্যাদির মাধ্যমে নারীদের উত্ত্যক্ত করা বোঝায়। Eve অর্থ নারী আর Teasing অর্থ উত্ত্যক্ত, জ্বালাতন। নারীদের উত্ত্যক্ত করাই ইভটিজিং। এটা একটি সামাজিক ব্যাধি। নারীদের প্রতি অশালীন উক্তি করা, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি প্রভৃতি ইভটিজিংয়ের অন্তর্ভূক্ত। এটা নারীদের নিরাপত্তায় মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। যা সমাজে শান্তি বিনষ্ট করে। সমাজে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। ফলে আইন শৃঙ্খলার অবনতি … Read more
পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান হলো মদিনা সনদ। রাসুল (স.)-এর হিজরতের পর তিনি মদিনায় ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রীয় বিভেদ নিরসন করে পারস্পরিক শান্তি, সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে কতিপয় নীতিমালা তৈরি করেন, যা মদিনা সনদ নামে পরিচিত।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, সিরাত হল কিয়ামতের দিন জাহান্নামের উপর স্থাপিত একটি অতি সরু সেতু। এই সেতু দিয়ে সকল মানবকে অতিক্রম করতে হবে। হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে যে, এই সেতুটির চেয়েও সরু চুলের চেয়েও তীক্ষ্ণ। সিরাতের উপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় মানুষের আমলের ভিত্তিতে তার গতিবেগ নির্ধারিত হবে। যারা নেক আমল করেছে তারা সহজেই এই সেতু … Read more
কাফির ব্যক্তি যদি তার কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে অনুশোচনা বা তওবা করে তাহলে ক্ষমা পেতে পারে। কুফরের শান্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। তবে কাফির ব্যক্তি আবার ইমান এনে ইসলামের সব মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করলে শাস্তি থেকে রেহাই পেতে পারে। এ জন্য তাকে অবশ্যই একই সঙ্গে আগের কুফরি কাজের জন্য আন্তরিকভাবে লজ্জিত হতে হবে এবং খাঁটি মনে … Read more