ক্যাপাসিটর এর একক কি?
ক্যাপাসিটর এর একক হলো ফ্যারাড।
ক্যাপাসিটর এর একক হলো ফ্যারাড।
বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে ৬ প্রকার মৌলিক অধিকারের উল্লেখ আছে। মৌলিক অধিকারগুলি হলো ১। সাম্যের অধিকার, ২। স্বাধীনতার অধিকার, ৩। শোষণের অধিকার, ৪। ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার, ৫। শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অধিকার, ৬। শাসনতান্ত্রিক প্রতিবিধানের অধিকার।
সাধারণ নির্বাচনের পর যদি দেখা যায় কোন দল বা জোট আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ করতে সমর্থ হয়নি, তখন সে অবস্থাকে ঝুলন্ত সংসদ বা Hung Parliament বলা হয়। একটি ঝুলন্ত সংসদ হ’ল ওয়েস্টমিনস্টার ব্যবস্থার অধীনে আইনসভাগুলিতে এমন একটি পরিস্থিতি বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা প্রাক-বিদ্যমান জোটের সংসদ বা অন্যান্য আইনসভায় পুরোপুরি বিধায়কদের … Read more
সংবিধানের ১৫ নং ধারায় জাতি, ধর্ম, বর্ণ, জন্মস্থান, স্ত্রী-পুরুষ প্রভৃতির ভিত্তিতে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আবার এই সমস্ত কারণের জন্যই সর্বসাধারণের ব্যবহার্য দোকান, হোটেল, রেস্তোঁরা, নলকূপ, জলাশয়, স্নানের ঘাট, পথ, প্রমোদস্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
‘আইনের দৃষ্টিতে সাম্য’ বলতে বিশেষ সুযোগসুবিধার অনুপস্থিতি এবং ‘আইন’ কর্তৃক সমভাবে সংরক্ষিত হওয়ার অধিকার’ বলতে আইনের সমান আচরণের কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি নেতিবাচক আর দ্বিতীয়টি ইতিবাচক।
সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারগুলি অবাধ বা অনিয়ন্ত্রিত নয়। রাষ্ট্র প্রয়োজনবোধে এই অধিকারগুলির ওপর যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করতে পারে। জনস্বার্থ, সামাজিক শৃঙ্খলা, জাতীয় ঐক্য ও সংহতি, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ইত্যাদি কারণে মৌলিক অধিকারের ওপর বাধা নিষেধ আরোপ করা সম্ভব।
দেশের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, যাতায়ত ব্যবস্থা এবং অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সামগ্রীর জোগান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য নিবর্তনমূলক আটক আইন প্রবর্তন করা যেতে পারে।
ভারতে বিনা বিচারে আটক রাখা যায় এমন দুই ব্যক্তির নাম হলো – ১। শত্রভাবাপন্ন বিদেশি এবং ২। নিবর্তনমূলক আটক আইনে ধৃত ব্যক্তি – এই দুই শ্রেণির ব্যক্তিদের বিনা বিচারে আটক রাখা যায়।