কম্পিউটার সিকিউরিটির প্রকারভেদ

কম্পিউটার সিকিউরিটি তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ ১. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি, ২. সফটওয়্যার সিকিউরিটি এবং ৩. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি। হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি: এ সিকিউরিটি এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার অর্থাৎ কম্পিউটারকে নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। PC-Locks, Keyboard Locks, Smart Card, Biometrics Device ইত্যাদির মাধ্যমে হার্ডওয়্যার নিরাপত্তা প্রদান করা হয়। সফটওয়্যার সিকিউরিটি: এ সিকিউরিটি এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে … Read more

ডেটা এনক্রিপশন কাকে বলে?

যে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনো ডেটা, টেক্সট বা লিখিত বিষয়বস্তুকে এমনভাবে পরিবর্তন করা হয় যা অপর কোনো পদ্ধতি বা প্রোগ্রামের ব্যবহার ব্যতীত উক্ত ডেটা, টেক্সট বা বিষয়বস্তু পড়া বা বুঝা যায় না, সে পদ্ধতিকে ডেটা এনক্রিপশন বলে। ডেটা সিকিউরিটির জন্য বিশেষ ধরনের কোড হিসেবে ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা: ১. … Read more

রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য

ডেটাবেজ ম্যানেজম্টে সিস্টেমের মাধ্যমে রেকর্ডগুলো বিভিন্ন টেবিল/ফাইলে জমা থাকে এবং ক্যুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজ রিলেশনশীপ তৈরি করা যায়। নিচে স্ট্যান্ডার্ড রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:

রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে?

ফাইলগুলোকে শুধুমাত্র রেকর্ডের তালিকায় সারি ও কলাম বিশিষ্ট টেবিল বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের ডেটাবেজকে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো সম্পর্কযুক্ত ডেটাবেজ। এ ধরনের ডেটাবেজে উপাত্তসমূহকে বিভিন্ন সারিতে সংগঠিত করা হয়। সর্বপ্রথম ১৯৭০ সালে এডগার ফ্রাঙ্ক কড (Edgar Frank Codd) রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম প্রবর্তন করেন।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর কাজ

DBMS হলো অনেকগুলো ডেটার একটি সুসজ্জিত তালিকা, যেখান তেকে নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয় কোনো ডেটাকে দ্রুত এবং খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে- এছাড়া DBMS তথ্যের নিরাপত্তা রক্ষা অর্থাৎ অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যাতে তথ্য জানতে বা তা পরিবর্তন করতে না পারে তার ব্যবস্থা করে।

অ্যাট্রিবিউট কাকে বলে?

একটি এনটিটি এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে সমস্ত ফিল্ড বা আইটেম বা উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাট্রিবিউট বলে। যেমনঃ একজন ছাত্রের নাম, রোল, ঠিকানা ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি অ্যাট্রিবিউট।  অ্যাট্রিবিউট দুই ধরনের হতে পারে। ১) সরল অ্যাট্রিবিউট। যেমনঃ নাম, ঠিকানা ইত্যাদি। ২) কম্পোজিট অ্যাট্রিবিউট। যেমনঃ নামের প্রথমাংশ, শেষ অংশ, রোড নং, হাউজ নং, এলাকা … Read more

ডেটা হায়ারার্কি কাকে বলে?

ডেটা হায়ারার্কি হলো ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান যেমন: বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড, ফাইল ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত একটি কাঠামো। অর্থাৎ ডেটাবেজ থেকে শুরু করে ফাইল, রেকর্ড, ফিল্ড, বাইট, বিটের ধারাবাহিক সংগঠনকে ডেটা হায়ারার্কি (Data Hierarchy) বলে।

error: Content is protected !!