সাইবার অপরাধ বলতে কী বুঝ?

সাইবার অপরাধ বলতে আমরা সাধারণত সাইবার স্পেস অর্থাৎ ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যে সকল কম্পিউটার ক্রাইম সংঘটিত হয় তাদেরকে বুঝি। সাইবার অপরাধ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।

ন্যারোব্যান্ড কাকে বলে?

সাধারণত 45 bps থেকে 300 bps পর্যন্ত ডেটা স্থানান্তরের ব্যান্ডকে ন্যারোব্যান্ড বলে এবং এটি Sub Voiceband নামেও পরিচিত। এ ব্যান্ডের ফ্রিকুয়েন্সি 300-3400 Hz হয়ে থাকে। যেসব ক্ষেত্রে ধীরগতিতে ডেটা স্থানান্তরের প্রয়োজন সেসব ক্ষেত্রে ন্যারোব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন – টেলিগ্রাফ যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ভয়েসব্যান্ড কাকে বলে?

1200 pbs থেকে 9600 bps বা 9.6 Kpbs পর্যন্ত ডেটা স্থানান্তরের ব্যান্ডকে Voice band বলে। বর্তমানে এটি 96000 bps বা 96 Kpbs পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত টেলিফোন লাইনে এই ব্যান্ডউইডথ (56Kbps) ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার ও পেরিফেরাল যন্ত্রপাতিতে (যেমন- ডায়াল-আপ মোডেম, স্ক্যানার, প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদি) ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও ভয়েসব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কাকে বলে?

এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে বিটের বিন্যাসের মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড বলে। এই বিটের বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশনকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।যথা- ১. প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন২. সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশন

প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন কাকে বলে?

যে ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে ডেটার বিট বিন্যাস সমান্তরালভাবে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর হয় তাকে প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন বলে। অত্যন্ত অল্প দূরত্বে অবস্থিত একাধিক ডিভাইসের মধ্যে বা একটি কম্পিউটারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সাবইউনিটের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশন কাকে বলে?

যে ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে ডেটার বিট বিন্যাস একটি একটি করে সিরিয়াল অনুক্রমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর হয় তাকে সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশন বলে।যেকোনো দূরত্বে অবস্থিত ফিজিক্যালি পৃথক দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে একটি ডেটার বিটগুলো তারের মধ্য দিয়ে একটি ক্লক পালসে একটি করে বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত … Read more

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন কাকে বলে?

এই পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশনের পূর্বে ডেটাকে প্রাইমারী স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করা হয় এবং সমান বিরতিতে প্রতিবারে ৮০ থেকে ১৩২ ক্যারেক্টারের একটি ব্লক তৈরি করে ট্রান্সমিট করা হয়। এ কারণেই এর নামকরণ করা হয়েছে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড।  এক্ষেত্রে প্রতিটি ব্লকের শুরুতে একটি হেডার (২ বাইট) এবং শেষে একটি ট্রেইলর (২ বাইট) ইনফরমেশন সিগন্যাল সংযুক্ত করা হয়। … Read more

error: Content is protected !!