সংবিধান কাকে বলে?

সংবিধান বলতে কোন সংগঠন পরিচালনার নিয়ম-কানুন বা বিধি-ব্যবস্থাকে বুঝায়। কোন সমিতি যেমন কতগুলো নিয়ম-বিধি দ্বারা পরিচালিত হয়, তেমনি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো নিয়ম-কানুন ও বিধি রয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার এ সকল নিয়ম ও বিধি-ব্যবস্থার সমষ্টি হল সংবিধান। সংবিধান কাকে বলে? প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বিভিন্নভাবে সংবিধানের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। যেমন−  এরিষ্টটলের মতে, “রাষ্ট্র কর্তৃক পছন্দকৃত … Read more

লিখিত সংবিধান কাকে বলে?

প্রত্যেক সরকারই কতকগুলো বিধি-বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এসব বিধি-বিধানকে সমষ্টিগতভাবে সংবিধান বলা হয়। রাজনৈতিক ব্যবস্থা যে প্রকৃতিরই হোক না কেন, সংবিধান ছাড়া কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থাই চলতে পারে না। রাজনৈতিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হচ্ছে সংবিধান।  সংবিধানের শ্রেণিবিভাগ সংবিধানকে মোট চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা−  (১) লিখিত, (২) অলিখিত, (৩) সুপরিবর্তনীয় এবং (৪) দুষ্পরিবর্তনীয়। লিখিত সংবিধান কাকে বলে? … Read more

সুপরিবর্তনীয় সংবিধান কাকে বলে?

সুপরিবর্তনীয় সংবিধানের কোনো নিয়ম সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়। এ ক্ষেত্রে সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করতে কোনো জটিলতার প্রয়োজন হয় না। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আইনসভা এর যেকোনো অংশ সংশোধন করতে পারে। ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয় সংবিধান।

অলিখিত সংবিধান কাকে বলে?

অলিখিত সংবিধানের বেশির ভাগ নিয়ম কোনো দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না। এ ধরনের সংবিধান প্রথা ও রীতি-নীতিভিত্তিক, চিরাচরিত নিয়ম ও আচার-অনুষ্ঠানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। যেমন—ব্রিটেনের সংবিধান অলিখিত।

দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান কাকে বলে?

দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধানের কোনো নিয়ম সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না, এ ক্ষেত্রে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে জটিল পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয়। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এ ধরনের সংবিধান পরিবর্তন করা যায় না। প্রয়োজন হয় বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সম্মেলন ও ভোটাভুটির। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

আধুনিক রাষ্ট্রের কার্যাবলী আলোচনা কর।

আধুনিক রাষ্ট্র একটি জটিল সামাজিক, রাজনৈতিক, এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। এর কার্যাবলী অত্যন্ত ব্যাপক এবং বিস্তৃত। আধুনিক রাষ্ট্রের প্রধান কার্যাবলীগুলো নিম্নরূপ: সার্বভৌমত্ব রক্ষা: আধুনিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী হল এর সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সার্বভৌমত্ব হল রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য যা রাষ্ট্রকে অন্য কোনো রাষ্ট্র বা শক্তির অধীনতা থেকে মুক্ত করে। আধুনিক রাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য বিভিন্ন … Read more

রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান পাঠের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিসীম। এরিষ্টটলকে ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। তিনি আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্বন্ধে বলতে গিয়ে এ শাস্ত্রকে ‘Master Science’ বা সমস্তবিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেছেন। রাজনৈতিক জীবনকে কেন্দ্র করে অর্থাৎ রাজনৈতিক ব্যবস্থার সুষ্ঠু ও যথার্থ বিন্যাস, ভূমিকা এবং কার্যাবলীর উপরই নাগরিক জীবনের চাহিদার যথাযথ পূরণ ও … Read more

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বা বিষয়বস্তু

এ পাঠটি পড়ে আপনি- আমাদের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বা বিষয়বস্তু। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষণ করলে এ কথা সুস্পষ্ট হয়ে উঠে যে, রাষ্ট্রই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধান আলোচ্য বিষয়। এদিক দিয়ে বলা যায়, রাষ্ট্রের কার্যাবলী যতদূর বিস্তৃত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু/পরিধি ততদূর বিস্তৃত ও প্রসারিত। রাষ্ট্র বা অন্য যা কিছু মানুষের রাষ্ট্রনৈতিক জীবনকে প্রভাবিত করে তাই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আওতাভুক্ত বলে … Read more

error: Content is protected !!