কেন্দ্রমন্ডল কাকে বলে?

গুরুমন্ডলের ঠিক পরেই রয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। কেন্দ্রমন্ডলের নিম্নভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় ৩,৪৭৯ কিলোমিটার বিস্তৃত। এর গড় ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ সে.মি.। কেন্দ্রের দিকে ঘনত্ব বাড়তে থাকে। ভূ-কম্পন তরঙ্গের সাহায্যে জানা গেছে যে, কেন্দ্রমন্ডলে একটি তরল বহিরাবরণ আছে, যা প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার পুরু এবং কঠিন অন্তঃভাগ আছে যা প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার পুরু। কেন্দ্রমন্ডলের উপাদানগুলো হলো লোহা, নিকেল, … Read more

গুরুমন্ডল কাকে বলে? গুরুমন্ডল এর প্রকারভেদ

কেন্দ্রমন্ডলের বহিঃভাগ থেকে ভূ-ত্বকের নিম্নস্তর পর্যন্তপ্রায় ৭০০-২৯০০ কিলোমিটার বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে। এটি মূলত ব্যাসল্ট, শিলা, সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ দ্বারা গঠিত। তবে সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম উপাদানের আধিক্যের কারণে এটি সিমা (Sima) নামে পরিচিত।  গুরুমন্ডলের ১০০ কিলোমিটার গভীরতায় তাপমাত্রা আনুমানিক ১১০০°-১২০০° সেলসিয়াস। বহিঃকেন্দ্রমন্ডলের সীমানায় এ তাপমাত্রা ৩০০০° সেলসিয়াসের কাছাকাছি।  গুরুমন্ডল এর প্রকারভেদ … Read more

অশ্মমণ্ডল কাকে বলে?

ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্তপ্রথম স্তরকে অম্মমণ্ডল বলে। ভূ-কম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় যে, এ স্তরিটি মূলত সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম উপাদান দিয়ে গঠিত যা সিয়াল (Sial) নামের পরিচিত। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটার ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অশ্বমণ্ডলের নিচে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল নামে আরো দুটি প্রধান স্তর রয়েছে। 

অমাবস্যা ও পূর্ণিমা কাকে বলে?

অমাবস্যা ও পূর্ণিমা হলো চাঁদের কক্ষপথের দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। অমাবস্যা হলো চাঁদের কক্ষপথের সেই পর্যায় যখন চাঁদ পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝখানে থাকে। এই সময় চাঁদের আলো পৃথিবীতে পৌঁছায় না, ফলে চাঁদকে খালি চোখে দেখা যায় না। পূর্ণিমা হলো চাঁদের কক্ষপথের সেই পর্যায় যখন চাঁদ পৃথিবীর বিপরীত দিকে সূর্যের ঠিক বিপরীতে থাকে। এই সময় চাঁদের আলো … Read more

সমুদ্রের কোথায় পানির ঘনত্ব বেশি?

সমুদ্রের কোথায় পানির ঘনত্ব বেশি তা নির্ভর করে দুটি প্রধান কারণের উপর: তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা। তাপমাত্রা কম হলে এবং লবণাক্ততা বেশি হলে পানির ঘনত্ব বেশি হয়। তাপমাত্রা এবং লবণাক্ততা উভয়ই পানির ঘনত্বকে প্রভাবিত করে। তাপমাত্রা কম হলে, জলের অণুগুলির মধ্যে দূরত্ব কম হয়, যার ফলে জল আরও ঘন হয়। লবণাক্ততা বেশি হলে, জলে দ্রবীভূত লবণের … Read more

জোয়ার ভাটা কাকে বলে? জোয়ার ভাটার উপকারিতা | জোয়ার ভাটার অসুবিধা

জোয়ার ভাটা হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান ও পতন। এটি পৃথিবীর বাইরের মহাকর্ষীয় শক্তির প্রভাবে ঘটে। চাঁদের মহাকর্ষীয় শক্তি সমুদ্রের জলকে আকর্ষণ করে এবং ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান ঘটে। সূর্যের মহাকর্ষীয় শক্তিও জোয়ার ভাটার ক্ষেত্রে একটি ভূমিকা পালন করে। তবে চাঁদের মহাকর্ষীয় শক্তি সূর্যের মহাকর্ষীয় শক্তির চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় জোয়ার ভাটার ক্ষেত্রে চাঁদের প্রভাব বেশি। জোয়ার ভাটা … Read more

সৌরজগতের গ্রহগুলোর চিত্রসহ বর্ণনা দাও।

সৌরজগতের গ্রহগুলোর চিত্রসহ বর্ণনা সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত। সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রহগুলো মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্য (Sun) সূর্য একটি নক্ষত্র। এটি একটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের নক্ষত্র। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার … Read more

error: Content is protected !!