জীববৈচিত্র্যের বাস্তুতান্ত্রিক গুরুত্ব

জীববৈচিত্র্যের বহুমুখী বাস্তুতান্ত্রিক উপযোগিতা রয়েছে। এই উপযোগিতাগুলি নিচে আলোচনা করা হলোঃ ১) জীববৈচিত্র্য জলজ সম্পদ সংরক্ষণ ও জলদূষণ থেকে প্রতিরোধ করে। ২) বায়ুদূষণ থেকে মুক্ত করে ও দূষিত বায়ুকে পরিশোধন করে। ৩) আবহাওয়া ও জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে ও জলবায়ুর অবাধ পরিবর্তনকে প্রতিরোধ করে। ৪) জলচক্রের অস্তিত্ব ও কার্যকারিতাকে বহুলাংশে পরিচালিত করে। ৫) মৃত্তিকা সৃষ্টি, সংরক্ষণ … Read more

অন্ধকার বৈচিত্র্য কাকে বলে?

অন্ধকার বৈচিত্র্য কথাটির ‘Species Pool’ শব্দটির থেকে উদ্ভব ঘটেছে। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা বাসস্থলের পারিপার্শ্বিক অঞ্চলে নানা উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাপতির উপস্থিতি দেখা যায়। এক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট অঞ্চল বা বাসস্থলে প্রজাতির জন্ম, বৃদ্ধি ও বিবর্তনের অনুকূল পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে প্রজাতির অনুপস্থিতিই হলো ‘অন্ধকার বৈচিত্র্য’ বা Dark Diversity’। Dark Diversity is the set of species … Read more

গামা বৈচিত্র্য কাকে বলে? গামা বৈচিত্র্যের বৈশিষ্ট্য

গামা বৈচিত্র্য কাকে বলে?  কোনো বৃহৎ ভৌগলিক পরিবেশে প্রাকৃতিক স্থলজ বা জলজ বাসস্থলে গোষ্ঠীর বা প্রজাতির গোষ্ঠীগত বিভিন্নতা কারণে সৃষ্ট জীববৈচিত্র্যেকে গামা বৈচিত্র্য বলে। হুইটেকারের মতে, গামা বৈচিত্র্র্য হলো, “…the total species diversity in a landscape.” একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক ভূখণ্ডে স্থানীয় বা আঞ্চলিক, মাঝারি ও বৃহৎ স্থলজ ও জলজ বাসস্থলের উপস্থিতি রয়েছে। হুইটেকার একই গোষ্ঠীর … Read more

জীবের শ্রেণিবিন্যাস

আজ পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্ভিদের প্রায় চার লক্ষ এবং প্রাণীর প্রায় তের লক্ষ প্রজাতির নামকরণ ও বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যা চূড়ান্ত নয়, কেননা প্রায় প্রতিদিনই আরও নতুন নতুন প্রজাতির বর্ণনা সংযুক্ত হচ্ছে। অনুমান করা হয়, ভবিষ্যতে সব জীবের বর্ণনা শেষ হলে (যদি সত্যি কখনাে শেষ করা যায়) এর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় এক কোটিতে। জানা, … Read more

পেশী সংকোচন কাকে বলে?

পেশী সংকোচন দুটি ভেরিয়েবলের ভিত্তিতে বর্ণনা করা যেতে পারে: বল এবং দৈর্ঘ্য। চাপ নিজেই চাপ বা বোঝা হিসাবে পৃথক করা যেতে পারে। পেশীর উত্তেজনা হ’ল পেশীর দ্বারা বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগ করা হয়। যখন পেশীতে কোনও বস্তু দ্বারা বোঝা চাপানো হয় পেশীগুলির দৈর্ঘ্যের সাথে সম্পর্কিত কোনও পরিবর্তন ছাড়াই যখন পেশীগুলির উত্তেজনা পরিবর্তন হয়, তখন পেশী সংকোচনকে … Read more

দূর সংবেদন কাকে বলে?

বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে দূরের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সুন্দর নিখুঁত ধারণা গড়ে তোলার পদ্ধতিকে দূরসংবেদন বা Remote Sensing বলে। এই পদ্ধতির দুটি প্রধান উপাদান হলো – ১) বিমান চিত্র (Aerial Photo) এবং ২) উপগ্রহ চিত্র (Satellite Imagery)।

error: Content is protected !!