প্রকরণ চলন কাকে বলে?

রসস্ফীতির তারতম্যের জন্য উদ্ভিদ অঙ্গে যে স্বতঃস্ফূর্ত বক্র চলন দেখা যায় তাকে প্রকরণ চলন বলে।  বনচাঁড়াল এর পাতার পার্শ্বীয় পত্রক দুটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে পর্যায়ক্রমে উপর নিচে ওঠা-নামা করে। এটি এক প্রকারের রসস্ফীতি জনিত চলন যা কেবলমাত্র দিনের বেলাতেই ঘটে।

মুকুলোদগম কাকে বলে?

যে প্রক্রিয়ায় অসম বিভাজনের মাধ্যমে মাতৃদেহ হতে এক বা একাধিক মুকুল সৃষ্টি হয়, যা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে পরবর্তীকালে মাতৃদেহ হতে বিচ্ছিন্ন হয় এবং স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে তাকে মুকুলোদম বলে। যেমনঃ Hydra vulgaris (হাইড্রা)।

অণ্ড-জরায়ুজ প্রাণী কাকে বলে?

যে সকল প্রাণী ডিম দেয় কিন্তু নিষিক্ত হওয়ার পর ঐ ডিম মাতৃগর্ভেই পরিস্ফুটিত হয়, তাদেরকে অণ্ড-জরায়ুজ প্রাণী বলে। যেমনঃ হাঙ্গর, কিছু উভচর।

জরায়ুজ প্রাণী কাকে বলে?

যে সকল প্রাণীর ডিম মাতৃদেহের ভিতরে নিষিক্ত হয় এবং ভ্রূণ অমরার মাধ্যমে মাতৃদেহে যুক্ত থেকে পুষ্টি লাভ করে বর্ধিত হয়, পরে পরিপূর্ণ শিশু প্রাণী ভূমিষ্ঠ হয়, তাদের জরায়ুজ প্রাণী বলে। ব্যতিক্রম ছাড়া উল্লেখযোগ্য সকল স্তন্যপায়ী প্রাণী জরায়ুজ প্রকৃতির।

অবিচ্ছিন্ন শ্রেণিসীমা কাকে বলে?

শ্রেণি ব্যবধান অবিচ্ছিন্ন করার জন্য কোনো শ্রেণির উচ্চসীমা এবং পরবর্তী শ্রেণির নিম্নসীমার মধ্যবিন্দু নিয়ে সেই শ্রেণির প্রকৃত উচ্চসীমা এবং পরবর্তী শ্রেণির প্রকৃত নিম্নসীমা নির্ধারণ করা হয়।  উদাহরণস্বরূপ- উপরোক্ত সারণিতে উপাত্তের শ্রেণি ব্যবধান বিচ্ছিন্ন। শ্রেণি ব্যবধানকে অবিচ্ছিন্ন করলে সারণিটি হবে :

নির্দেশক কত প্রকার ও কি কি?

নির্দেশক কাকে বলে? যেসব পদার্থ নিজেদের রং পরিবর্তনের মাধ্যমে কোনো একটি বস্তু এসিড না ক্ষারক বা কোনোটিই নয় তা নির্দেশ করে তাদেরকে নির্দেশক বলে। উল্লেখ্য যে অধিকাংশ নির্দেশকই জৈব যৌগ।যেমন: লিটমাস কাগজ, মিথাইল অরেঞ্জ, ফেনোফথ্যালিন, মিথাইল রেড ইত্যাদি নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয় । যেসব পদার্থ নিজেদের ধর্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে আয়তনমাত্রিক বিশ্লেষণে রাসায়নিক বিক্রিযার শেষ বিন্দু … Read more

শ্রেণিকরণ বা শ্রেণিবিন্যাসকরণ কাকে বলে?

সভ্যতার সূচনালগ্নে মানুষ বৈচিত্র্যময় জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসে সচেষ্ট হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। প্রাণিজগতের সমস্ত প্রাণীকে তাদের মধ্যকার পারস্পরিক স্বাভাবিক সম্পর্কের ও চারিত্রিক  বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিভিন্ন স্তরে বা ধাপে পর্যায়ক্রমে বিন্যাস করাকেই শ্রেণিকরণ বা শ্রেণিবিন্যাসকরণ বলে।

শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা কাকে বলে?

বিজ্ঞানের যে শাখায় শ্রেণিবিন্যাসের তত্ত্বসমূহ, মূলনীতি, নামকরণের নিয়মাবলি, প্রথা ও তাদের ব্যবহার সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাকে শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy) বলে।

error: Content is protected !!