বিপণন পণ্য কাকে বলে?

যে সকল পণ্য সচরাচর ক্রেতারা ক্রয় করে না তাই হল বিপণন পণ্য। এ ধরনের পণ্য ক্রয়ে ক্রেতা বা ভোক্তাসাধারণ পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং কেনার সময় দ্রব্যের গুণাগুণ ও মূল্য যাচাই করে তা ক্রয় করে। এজন্য ক্রেতাসাধারণ সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। টেলিভিশন, দামী শাড়ি, গহনা, রিফ্রিজারেটর ইত্যাদি এরূপ পণ্যের উদাহরণ।

লোভনীয় পণ্য কাকে বলে?

যে পণ্য দোকানে দেখে ক্রেতা ক্রয়ের প্রয়োজন অনুভব করে তাকে লোভনীয় পণ্য বলে। ম্যাগাজিন, খেলনা, ফুলদানি, চা, রসগোল্লা প্রভৃতি এরূপ পণ্যের উদাহরণ।

জরুরি পণ্য কাকে বলে?

যে পণ্যের চাহিদা হঠাৎ উদ্ভব হয় এবং ক্রেতারা এর গুণাগুণ ও মূল্য বিবেচনা করে না, তাই হলো জরুরি পণ্য। যেমন- ঔষধ, গাড়ীর যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।

সরবরাহ পণ্য কাকে বলে?

এ ধরনের পণ্য বিক্রেতারা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয় অর্থাৎ ক্রেতারা বাসা-বাড়িতে বসে এ ধরনের পণ্য পাওয়ার প্রত্যাশা করে। শহরে ডিম, দুধ, শাক-সবজি ইত্যাদি এ পণ্যের উদাহরণ।

শৌখিন পণ্য কাকে বলে?

সময় পরিবর্তনের সাথে ভোক্তাদের রুচি ও পছন্দের পার্থক্য ঘটে এবং সময়ের সাথে ফ্যাশনের পরিবর্তন হয় এমন পণ্যকেই সৌখিন পণ্য বলে। যেমন- দামী আসবাবপত্র, গহনা, দামী শাড়ি, গিফট সামগ্রী ইত্যাদি।

ভাষা পরিকল্পনা কাকে বলে? ভাষা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যগুলি আলোচনা কর।

ভাষা পরিকল্পনা কাকে বলে?  ভাষাকে সুন্দরভাবে ব্যবহার, যথার্থভাবে উপস্থাপন তার মান উন্নয়নে ভাষা পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পৃথিবীতে প্রথম ভাষা সংস্কারের কাজ করেছেন পাণিনি। তাঁর গ্রন্থের নাম ‘অষ্টাধ্যায়ী’। সমস্ত দেশ বা সকল দেশ নিজেদের ভাষাকে উদার, মুক্ত, দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরতে চাইছে। যে ভাষা জাতীয় ভাষায় উন্নীত হওয়ার কার্যকলাপ করে চলেছে, সেই ধারাবাহিক সচেতন প্রয়াস হল ভাষা … Read more

স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু কাকে বলে?

এ টিস্যুর কোষগুলো শক্ত, অনেক লম্বা এবং পুরু প্রাচীরবিশিষ্ট হয়। প্রোটোপ্লাজমবিহীন, লিগনিনযুক্ত এবং যান্ত্রিক কাজের জন্য নির্দিষ্ট কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুকে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু বলে। প্রাথমিক অবস্থায় কোষগুলোতে প্রোটোপ্লাজম উপস্থিত থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি তা নষ্ট হয়ে মৃত কোষে পরিণত হয়। কোষগুলো দুই ধরনের, ফাইবার এবং স্ক্লেরাইড। উদ্ভিদদেহে দৃঢ়তা প্রদান এবং পানি খনিজ লবণ পরিবহন করা এর … Read more

স্থির বিন্যাসের অসুবিধা

স্থির বিন্যাসের বেশকিছু সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এর কিছু অসুবিধাও আছে। নিম্নে স্থির বিন্যাসের এসকল অসুবিধা আলোচনা করা হলোঃ ১. অত্যধিক স্থাপনা ব্যয়ঃ স্থির বিন্যাস একটি ব্যয় বহুল বিন্যাস। কারণ এ বিন্যাসে যন্ত্রপাতিসমূহ কর্মস্থলে পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং স্থাপন করা হয়, যা অত্যন্ত ব্যয় বহুল। ২. দক্ষ কর্মীর অভাবঃ স্থির বিন্যাসের কার্যক্ষেত্র অত্যন্ত সীমিত। যেমনঃ জাহাজ … Read more

error: Content is protected !!