শব্দের ব্যতিচার বলতে কী বুঝায়?

দুই বা ততোধিক শব্দতরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে শব্দের লব্ধি তীব্রতা কোথাও খুব বৃদ্ধি পায়, কোথাও বা তীব্রতা অনেক হ্রাস পায়। এই ঘটনাকে শব্দের ব্যতিচার বলে। শব্দের ব্যতিচারের উদাহরণ হলো স্বরকম্প বা বিট।

স্থির তরঙ্গের উৎপত্তির কারণগুলো কী কী?

স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হতে হলে দুটি সমরূপ তরঙ্গ পরস্পর বিপরীত দিক হতে এসে উপরাপতিত হতে হবে। সমরূপ তরঙ্গ মানে তরঙ্গদ্বয়ের কম্পাঙ্ক, পর্যায়কাল, তরঙ্গবেগ এবং বিস্তার একই হতে হবে। শুধুমাত্র গতিমুখ পরস্পর বিপরীত হবে।

কালিক ব্যতিচার কাকে বলে?

বিভিন্ন কম্পাঙ্কের সমজাতীয় দুটি তরঙ্গের যুগপৎ উপরিপাতনে যে ব্যতিচার সৃষ্টি হয় তাকে কালিক ব্যতিচার বলে। এরূপ ব্যতিচারের ফলে মাধ্যমের যেকোনো নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্বক ব্যতিচার সংঘটিত হয়। এরূপ ব্যতিচারের উদাহরণ বীট সৃষ্টি হওয়ার প্রতিক্রিয়া।

কিভাবে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়?

কোনো মাধ্যমের একটি সীমিত অংশে সমান বিস্তার ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ একই মানের বেগে বিপরীত দিক থেকে অগ্রসর হয়ে একে অপরের ওপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। একটি তারের এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে ওপর নিচে আড়াআড়িভাবে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং … Read more

বিট উৎপাদনের শর্ত কী কী?

বিট উৎপাদনের শর্ত – ১) প্রায় সমান কম্পাঙ্কের (কম্পাঙ্কের পার্থক্য অনধিক 10 Hz) ২টি সরশলাকা শব্দের উৎস হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। ২) সুরশলাকা ২টিকে একত্রে শব্দায়িত করতে হবে। ৩) শলাকাদ্বয় হতে সৃষ্টি তরঙ্গ ২টিকে সমদশা/বিপরীত দশায় মিলিত হতে হবে।

পুকুরের ঢেউ অগ্রগামী তরঙ্গ

হ্যাঁ, পুকুরের ঢেউ অগ্রগামী তরঙ্গ। অগ্রগামী তরঙ্গ হল এমন তরঙ্গ যা এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সঞ্চালিত হয়ে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। পুকুরের ঢেউগুলি পানির মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়, এবং তারা কিনারার দিকে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হয়। পুকুরে ঢিল ছোড়ার ফলে ঢিলটি যখন পানিকে স্পর্শ করে তখন ঐ স্থানের পানির কণাগুলো আন্দোলিত … Read more

অজৈব যৌগ কাকে বলে?

অজৈব যৌগ হল সেই রাসায়নিক পদার্থ যা প্রকৃতিতে জৈব নয়। অজৈব যৌগগুলি সেই উপাদানগুলি হতে পারে যা পাথর এবং খনিজ পদার্থ যেমন সিরামিক, পাথর, ধাতু, কাচ ইত্যাদি থেকে তৈরি হয়। প্রায় 100,000 অজৈব যৌগ বিদ্যমান বলে জানা যায়। অজৈব রসায়ন এই যৌগগুলির আচরণের সাথে তাদের বৈশিষ্ট্যগুলি, তাদের ভৌত এবং রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলিও অধ্যয়ন করে। কার্বন এবং … Read more

ক্লিনোট্যাক্সিস কাকে বলে?

পর পর কয়েকটি উদ্দীপকের তীব্রতা তুলনা করে প্রাণীর অবস্থান পরিবর্তনের যে ধারা নির্ধারিত হয় তাকে ক্লিনোট্যাক্সিস বলে। এক্ষেত্রে প্রাণী তার গ্রাহক অঙ্গ দ্বারা সব দিক থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ না করে গ্রাহক অঙ্গ বা অঙ্গসমূহকে এদিকে ওদিকে ঘুরিয়ে দেহের দুই পাশে উদ্দীপনার তুলনা করে থাকে। এ তুলনার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে প্রাণী দিক পরিবর্তনে সমর্থ হয়।

error: Content is protected !!